
‘প্রত্যেকটি ভালো কাজই সদকা’
এখানে ‘সদকা’ মানে হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সওয়াব বা পুরস্কার। যদি কেউ সওয়াবের নিয়তে ভালো কাজ করে, তবে সে নিশ্চিতভাবে পুরস্কার পাবে।

এখানে ‘সদকা’ মানে হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সওয়াব বা পুরস্কার। যদি কেউ সওয়াবের নিয়তে ভালো কাজ করে, তবে সে নিশ্চিতভাবে পুরস্কার পাবে।

নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার অর্থ এই নয় যে সব ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হবে, বরং অর্থ হলো লাগামহীন ইচ্ছাকে আল্লাহর হুকুমের অধীনে নিয়ে আসা।

রমজানের এই আধ্যাত্মিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হতে শাবান মাসের শেষ দিনগুলোতে আমাদের করণীয় সম্পর্কে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা এখানে আলোচনা করা হলো।

জাতীয় মসজিদের পাশাপাশি সারা দেশের মসজিদগুলোয় বিশেষ আয়োজনে পবিত্র শবে বরাতের গুরুত্ব তুলে ধরে বয়ান করা হয়।

রমজানের প্রস্তুতির জন্য খুব বড় কোনো আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই। বরং আমাদের দৈনন্দিন ইবাদতের মৌলিক বিষয়গুলোতে ফিরে আসাই হলো আসল প্রস্তুতি।

অনেকে তো তর্কের মুখে বলেই বসেন, “আমরা তো জন্ম নিতে চাইনি, তোমরা আমাদের পৃথিবীতে এনেছ, তাই আমাদের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করা তোমাদের আইনি দায়িত্ব।”

অনেকেই ইসলাম পালনের শুরুতে প্রবল উদ্যম নিয়ে প্রায় সব ধরনের ইবাদত শুরু করেন। কিন্তু একপর্যায়ে অতিরিক্ত বোঝার চাপে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে ইবাদত ছেড়ে দেন।

রমজানের প্রস্তুতির ব্যাপারে প্রত্যেক মুমিনের জন্য জরুরি হলো, শাবানে বেশি নফল ইবাদত ও রোজার অভ্যাস তৈরি করে মনের জমিনে বীজ বপন করা।

কাজের চিন্তা, সংসারের ঝামেলা কিংবা শারীরিক ক্লান্তি—সব মিলিয়ে নামাজ অনেক সময় কেবল একটি যান্ত্রিক অভ্যাসে পরিণত হয়। মনোযোগ ফেরানোর ৬টি কার্যকর উপায় আলোচনা করা হলো।

এ বছর দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডশেন। এতে করে রোজাদারগণ নির্ভুল সময়ে পবিত্র রমজানের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।

ইবনে জুবায়ের তাঁর ভ্রমণকাহিনিতে লেবাননের পাহাড় অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের সম্পর্কে লিখেছেন, তাঁরা সেখানে নির্জনে ইবাদত করা মুসলিম দরবেশদের জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।

খুব বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। ছোট ছোট কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপই আমাদের পরিবার, সমাজ ও প্রতিবেশের মধ্যে আমূল পরিবর্তন আনতে পারে।