হিজরি সন: ইতিহাস, প্রবর্তন ও প্রাসঙ্গিকতা
একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, হিজরতের ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল রবিউল আউয়াল মাসে, তাহলে হিজরি বছরের প্রথম মাস হিসেবে মহররমকে নির্ধারণ করা হলো কেন?
একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, হিজরতের ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল রবিউল আউয়াল মাসে, তাহলে হিজরি বছরের প্রথম মাস হিসেবে মহররমকে নির্ধারণ করা হলো কেন?
প্রশ্নটা হলো, হাদিসের ‘দেখা’কে কি ‘চোখে দেখা’ মানতে হবে, নাকি বৈজ্ঞানিক হিসাবের মাধ্যমেও তা পূরণ হতে পারে? কেউ বলেছে, সরাসরি চাঁদ দেখা বাধ্যতামূলক।
ফকিহগণ এ নিয়ে মতভেদ করেছেন যে মিসওয়াক নির্দিষ্টভাবে অজুর সুন্নত, নাকি নামাজের সুন্নাহ, নাকি ইসলামের একটি সাধারণ সুন্নত, যা সর্বাবস্থায় ও সর্বসময়ে কাম্য?
নতুন হিজরি বছর উপলক্ষে পবিত্র কাবার পুরোনো গিলাফ বদলে নতুন গিলাফ বা কিসওয়া পরানো হয়েছে।
এসেছে একটি নতুন হিজরি বছর। নতুন বছরের শুরুই হচ্ছে এমন একটি মাস দিয়ে, যাকে রাসুল (সা.) ‘আল্লাহর মাস’ বলে অভিহিত করেছেন।
ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, হিজরি বছরকে আমরা মহররম দিয়ে শুরু করলেও হিজরতের যাত্রা শুরু সফরের শেষভাগে।
সচেতন মুসলমানের উচিত এই মাসকে ভয় না করে স্বাভাবিকভাবে আল্লাহর আনুগত্যের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করা, প্রয়োজনীয় কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা বিয়েশাদি নির্দ্বিধায় সম্পন্ন করা।
৬১ হিজরির ১০ মহররম কারবালার প্রান্তরে হোসাইন (রা.) এমন কঠিন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হন, যেখানে দৃশ্যমান বাস্তবতায় বিজয়ের সব পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে অনেক ভিত্তিহীন কাহিনি, যা লোকমুখে ছড়াতে ছড়াতে ধর্মীয় বিশ্বাসের রূপ নিয়েছে।
কারবালার ঘটনার বহু আগে থেকেই ইসলামে এই মাসকে ‘শাহরুল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয়েছে। কিন্তু ১২টি মাসের মধ্যে শুধু এই মাসটিই এই মর্যাদা পেল কেন?
আব্বাসীয়রা তাদের আন্দোলনের মূল স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করেছিল নবী-পরিবারের অধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিকে, যাতে অনারব মুসলিমদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল।
যখন একজন বান্দা পূর্ববর্তী নেক আমল করার পর পুনরায় নেক আমল করার তাওফিক পান, সেটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমল কবুলের একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।