চাচার সঙ্গে শামে : কিশোর নবীর প্রথম দূরযাত্রা
কৈশোরের শুরুতে চাচা আবু তালিবের সঙ্গী হয়ে নবীজীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ঘটে এমনই এক শাম সফরে। এখানেই ঘটে সিরাতের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।
কৈশোরের শুরুতে চাচা আবু তালিবের সঙ্গী হয়ে নবীজীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ঘটে এমনই এক শাম সফরে। এখানেই ঘটে সিরাতের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।
আবওয়ায় পৌঁছানোর পরপরই মা আমেনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্জন উপত্যকায় তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
কোথায় সেই গৃহ? কোথায় শৈশবের সেই খেলার মাঠ? সেখানকার লোকেরা কেন ও কীভাবে মক্কায় এসেছিল? মক্কা থেকে সেখানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
নবীজি (সা.) মুসলিম উম্মাহর ধ্বংসের কারণ হিসেবে দুনিয়ার প্রাচুর্য, গুপ্ত শিরক, সমকামিতা, ব্যভিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। হাদিসের আলোকে এই সতর্কতাগুলো উম্মতকে সঠিক পথে রাখার মানদণ্ড। প্রকৃত নবীপ্রেম এই শিক্ষাগুলো জীবনে অবলম্বন করা।
দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, যুদ্ধের দামামা বেজে উঠল। বনু আবদুদ দার এবং বনু আদি গোত্র তো একটি পাত্রে রক্ত ভরে তাতে হাত ডুবিয়ে মৃত্যুর শপথ পর্যন্ত নিয়ে নিল।
হিজরতের পর মদিনায় ‘রাষ্ট্রপ্রধান’ হওয়ার পরও তাঁর জীবনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর শয্যা ছিল খেজুর পাতার তৈরি, যা শরীরে দাগ ফেলে দিত।
মুহাম্মদ (সা.) ও আহমদসহ নবীজির নাম ও গুণবাচক উপাধির কোরআন-হাদিসে উল্লেখ এবং ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।
একজন ধর্ম প্রচারকের দাওয়াতের ভাষা কেমন হওয়া উচিত এবং মানুষের প্রতি তাঁর মমত্ববোধের গভীরতা কতটুকু হওয়া প্রয়োজন, এই বাক্যটি তার এক অনন্য মাইলফলক।
ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো, নবীদের মধ্যে ব্যক্তিগত পছন্দের বশে তুলনা না করা। তবে এর অর্থ এই নয় যে নবীজির বিশেষ মর্যাদাগুলো অস্বীকার করতে হবে।
যারা বিভিন্ন কারণে পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাদের উচিত নবীদের জীবনী থেকে শক্তি সঞ্চয় করা। মানুষের পরিকল্পনা যেখানে শেষ, আল্লাহর পরিকল্পনা সেখান থেকেই শুরু।
আজ ১২ রবিউল আউয়াল, বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পুণ্য স্মৃতিময় দিন। সারা বিশ্বের মুসলমানরা এ দিনকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন।
মুহাম্মদ (সা.) জন্মেছিলেন এতিম হয়ে। এটি পৃথিবীর সমস্ত এতিমের জন্য অনেক বড় সম্মানের এবং সান্ত্বনার বিষয়। তিনি মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই পিতাকে হারান।