সংবাদপত্র সরকারের পক্ষে-বিপক্ষে খবর ছাপে, ভয় পায় না: প্রধানমন্ত্রী
মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘যারা আমাদের ভোট দিয়েছে, আমরা যেমন তাদের সরকার; যারা ভোট দেয়নি, তাদেরও সরকার।’
মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘যারা আমাদের ভোট দিয়েছে, আমরা যেমন তাদের সরকার; যারা ভোট দেয়নি, তাদেরও সরকার।’
সংবাদপত্রটির মূল সংস্থা ‘প্রতিদিন মিডিয়া নেটওয়ার্ক’ জানায়, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা পত্রিকাটি সম্পর্কে সমালোচনামূলক মন্তব্যের পরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের সংবাদপত্রশিল্প কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নোয়াবের কর ও শুল্ক কমানোর প্রস্তাব যৌক্তিকভাবে বিবেচনা করা উচিত। এতে শিল্পের টিকে থাকা এবং গণতন্ত্রের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে।
উগ্রবাদীদের সুসংগঠিত হামলা ও আগুনে পুড়ে যাওয়া মুক্তকণ্ঠ ভবনে শিল্প প্রদর্শনীতে এসে বিদেশি কূটনীতিকেরা সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের প্রতি তাঁদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।
ছাত্রছাত্রীরা সকালের প্রাত্যহিক সমাবেশে (অ্যাসেম্বলি) সংবাদপত্র পড়বে এবং প্রধান খবরের বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে।
সংবাদপত্র পাঠ একটি দায়িত্বশীল নাগরিক অভ্যাস। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেই অভ্যাস ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। বর্তমানে সংবাদপত্র পাঠের ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে।
পলাতক ও দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালসহ সব গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
২০২০ সালে বার্কশায়ারের মালিকানাধীন একাধিক সংবাদপত্র বিক্রি করার সময় বাফেট বলেছিলেন, অধিকাংশ সংবাদপত্রের ব্যবসা কার্যত শেষের পথে।
মঞ্জুর বাড়ি রংপুর নগরীর কাচনা তকেয়ারপাড়া এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে। বয়স ৪৫ বছর। পত্রিকা বিক্রির সঙ্গে তাঁর পথচলার গল্পটাও সংগ্রামের।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বাধীন সংবাদমাধ্যম গড়ে উঠেছিল ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সালের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংসদীয় রাজনীতির মধ্যে। এতে বোঝা যায়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনো নির্দিষ্ট দলের দান নয়; বরং প্রকৃত রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ফল। ৫৫ বছরে দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অবস্থা কী দাঁড়াল, তা নিয়ে লিখেছেন রিজওয়ান-উল-আলম