
নোয়াখালীতে এক স্মরণীয় ভ্রমণ
নোয়াখালী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা এই নিবন্ধে লেখক অরূপ পালিত পরিবারসহ ঈদের ছুটিতে নোয়াখালী ভ্রমণের বর্ণনা দিয়েছেন।

নোয়াখালী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা এই নিবন্ধে লেখক অরূপ পালিত পরিবারসহ ঈদের ছুটিতে নোয়াখালী ভ্রমণের বর্ণনা দিয়েছেন।

লেখক নিজাম উদ্দিন চার বন্ধু নিয়ে কোরবানির ঈদের পরদিন রাঙামাটির গাঙচিল আইল্যান্ডে বেড়াতে যান। সেখানে তাঁরা লেকের সৌন্দর্য, সাঁতার, পাকা আম, সূর্যাস্ত ও পূর্ণিমা রাতের আড্ডা উপভোগ করেন। প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্য তাঁদের মুগ্ধ করে এবং ক্লান্তি দূর করে দেয়।

লেখক কলম্বো, ডাম্বুলা, সিগিরিয়া, ক্যান্ডি, নুয়ারা এলিয়া ও মিরিসা ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।

নুসরাত রুষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বান্দরবানের মারায়ং তং পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে তিনি ও তিন বন্ধু মূল দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।

ভ্রমণকারী জার্মানির মিউনিখ শহরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। ডাকাউ কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের বিভীষিকা দেখার পর তিনি মিউনিখের বিখ্যাত স্থানগুলো ঘুরে দেখেন।

একটি পরিবারের ২০ সদস্য ঈদে খাগড়াছড়ির বাবুছড়ায় বোনের বাসায় বেড়াতে যান। লিচু পাড়া, পুকুরে গোসল, জারুলছড়ায় সূর্যাস্ত ও দীঘিনালায় গানের আড্ডা ছিল।

বার্সেলোনায় ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন ড. রাশিদুল হক। শিরিনসহ তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা সুইজারল্যান্ড থেকে বার্সেলোনা পর্যন্ত ভ্রমণ করেন।

জার্মানির ডাকাউ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের গ্যাস চেম্বার ও ক্রেমাটোরিয়ামের নির্মম দৃশ্য বর্ণনা করা হয়েছে এই ২য় পর্বে। নাৎসি নিষ্ঠুরতার স্মৃতি এবং বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে। ভ্রমণকারীর ব্যক্তিগত অনুভূতি ও ইতিহাসের সতর্কবার্তা প্রাধান্য পেয়েছে।

জার্মানির ডাকাউ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প সফরের প্রথম পর্বে বর্ণিত হয়েছে ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে স্টুটগার্ট যাত্রা, নাৎসি বর্বরতার স্মৃতিস্থল প্রবেশ এবং জাদুঘরের ভয়াবহ সাক্ষ্য। হিটলারের দাপটের নীরব সাক্ষী এই ক্যাম্পে ইতিহাসের আর্তনাদ অনুভূত হয়।

মেঘনার পানি ছিল স্বচ্ছ নীল। ওদিকে পদ্মার পানি ছিল ঘোলা। ঠিক এখানে বিস্ময়ে পৃথিবী থমকে দাঁড়ায়। দুটো নদীর পানি একে অপরের সঙ্গে মেশে না। পাশাপাশি সমান্তরাল দুটো নদী।

দিনভর তর্ক। নারী পুরুষ একসঙ্গে। রাত হলেই বিপদের শঙ্কা। এক দিনে কীভাবে ভ্রমণ সম্ভব? ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে প্রায় অসম্ভবও বটে। তা–ও নোট অব ডিসেন্ট রেখে হুটহাট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বহু শহর, বহু দেশ ঘুরে দেখার পরও কিছু জায়গা হৃদয়ের গভীরে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেয়। ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরু, দক্ষিণ কোরিয়া এবং চীনের কুনমিং—এই তিন স্থান আমার ভ্রমণজীবনের সবচেয়ে প্রিয় অধ্যায়গুলোর একটি।