ভিসা বন্ড কী, কারা দেবেন, যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত নতুন কর্মসূচির বৈশিষ্ট্য কী
১২ মাসের এ পরীক্ষামূলক কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
১২ মাসের এ পরীক্ষামূলক কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ভিসা বন্ড ও সিকিউরিটি ডিপোজিটের অর্থ বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বন্ড ফেরত দিলে তা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। এতে বাংলাদেশি ভিসা আবেদনকারীদের প্রক্রিয়া সহজ হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ দেশে ফিরে এলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে, আর ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করলে সেই অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।
বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা বন্ড (ভিসায় জামানত) কার্যকর হয় ২১ জানুয়ারি। এর আগের দিন (২০ জানুয়ারি) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত আরোপের ৩৮ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাগরিকদের যুক্ত করার বিষয়টিকে দুঃখজনক বলেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের জন্য ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করতে যাচ্ছে, যার ফলে বি১ ও বি২ ভিসার আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হতে পারে।
বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যাঁরা আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের (বি১/বি২) ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাঁদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার আমেরিকান ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে।
‘ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রাম’ প্রোগ্রামের আওতায় আছে ৫০টি দেশ, যার মধ্যে পাঁচটি দেশ বাছাইপর্ব উতরে এখন বিশ্বকাপে খেলার অপেক্ষায়। সব কটিই আফ্রিকা মহাদেশের।
বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য বি১ ও বি২ ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত আর্থিক জামানত বা ভিসা বন্ড বাধ্যতামূলক করছে যুক্তরাষ্ট্র, যা আগামী ৩ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।
ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে যুক্তরাষ্ট্র।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গতকাল বেলা একটায় বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
ভিসা, প্রবাসী আয় ও ভ্রমণে কড়াকড়ি যুক্তরাষ্ট্রের