‘একুশের গল্প’–এর পটভূমি ভাষা আন্দোলন
এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬। বাংলা ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন—একুশের গল্প
এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬। বাংলা ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন—একুশের গল্প
আটচল্লিশের সেই উত্তাল দিনের নানা মুহূর্ত কোডাক ফোল্ডিং ক্যামেরায় ধারণ করেছিলেন শেখ মোহাম্মদ ইয়াকুব।
প্রায় ২০০ বছরের ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসনের পরও বাংলা ভাষা টিকে আছে। অথচ লাতিন আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বাইরের ভাষার প্রভাবে স্থানীয় ভাষা বিলুপ্ত হয়ে গেছে কিংবা পরিসর কমে দ্বিতীয়, তৃতীয় বা ছোট কোনো ভাষায় পরিণত হয়েছে।
পাঠাগারে বিভিন্ন ধরনের ৪ হাজার ১৭৫টি বই রয়েছে। কিন্তু পাঠকের সংখ্যা নগণ্য। ভাষাশহীদের নেই কোনো স্মৃতিস্মারক।
রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার এসেছে সংগ্রামের পথে, রক্তাক্ত আত্মনিবেদনে; নানা ধাপে। ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।
শহরের খোলা প্রাঙ্গণে যখন সাদা কাপড়টি মেলে ধরা হয়, তখন সেটি যেন ছিল এক বিশাল নীরব পৃষ্ঠা। কিছুক্ষণ পরই রং, রেখা আর তুলির স্পর্শে তা হয়ে ওঠে ইতিহাসের চলমান দলিল।
১৮ মাসের বেশি সময় পর ১৯৫০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গণপরিষদে বিপিসির দেওয়া প্রতিবেদন পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান।
রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার এসেছে সংগ্রামের পথে, রক্তাক্ত আত্মনিবেদনে; নানা ধাপে। ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।
রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বাংলা লিপিকে আরবি হরফে রূপান্তরের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
শুধু একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই জাদুঘরটি নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ে। বছরের অন্য সময় কাটে অবহেলায়।
মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের পারিল গ্রামে ভাষাশহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে বই আছে অনেক, ভাষাশহীদের স্মৃতিস্মারকও আছে। তবে সেখানে খুব কমসংখ্যক পাঠক ও দর্শনার্থী আসেন।
ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই আমাদের স্বাধিকার সংগ্রাম বেগবান হয়েছিল এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল।