শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ উপকরণ আমদানি, কমবে বিদ্যুৎ খরচ
সৌরবিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং আগাম কর তুলে দিয়েছে সরকার।
সৌরবিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং আগাম কর তুলে দিয়েছে সরকার।
মৌলভীবাজারে দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চা কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা ৬০-৭০ শতাংশে নেমে এসেছে এবং জেনারেটরের অধিক ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইনভার্টার কম্প্রেসর প্রযুক্তি ফ্রিজের বিদ্যুৎ খরচ ৩০-৫০% কমায় এবং যন্ত্র দীর্ঘস্থায়ী করে। এটি নীরবে চলে এবং খাবার তাজা রাখে। সঠিক ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয় সম্ভব।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ বাড়ছে, আর সরকার ও সাধারণ মানুষ—দুই পক্ষেরই এখন একটি বড় লক্ষ্য বিদ্যুৎ অপচয় কমানো।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া বেড়ে ৪২ হাজার কোটি টাকা
ডলারের হিসাবে প্রকল্পের খরচ বাড়েনি, টাকার হিসাবে খরচ বেড়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। ১০ বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ৪২ টাকা।
প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল হাতে পেয়ে অনেকেই ভাবেন, খরচ কমানোর সহজ কোনো উপায় আছে কি না। বাস্তবে এর জন্য বড় ধরনের বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই। বরং ঘরের ভেতর কয়েকটি ছোট ছোট পরিবর্তন এবং দৈনন্দিন কিছু সচেতন অভ্যাসই বিদ্যুতের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।
জ্বালানি তেলের সংকট মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে তীব্রতর হয়েছে, যা সংসারের খরচ বাড়াচ্ছে। নতুন বাজেট, যাতায়াত সাশ্রয়, বিদ্যুৎ-গ্যাস নিয়ন্ত্রণ, খাবার খরচ কমানো ও জরুরি তহবিল গড়ে তোলাই এর প্রতিকার। আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে চাপ সামাল দিন।
গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। ডলারের দাম বেড়েছে। এক বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৮ শতাংশ।
গ্যাসের সরবরাহ আরও কমেছে। কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। খরচ কমাতে তেল থেকে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে না।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ায় সরকার দাম সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। ৯ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এটি পাইকারি-খুচরা মূল্যহার নিয়ে প্রস্তাব দেবে।
নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও প্যারামাউন্ট গ্রুপ পিপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ৩.৪ মেগাওয়াটের ওপেক্স সোলার প্রজেক্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদে চার মাসের মধ্যে সোলার প্যানেল স্থাপিত হবে। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমবে এবং স্থিতিশীলতা আসবে।