নেপাল বাধা কি টপকাতে পারবে বাংলাদেশ
গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আজ অষ্টম নারী সাফের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও নেপাল। এই ম্যাচের সকল আপডেট পেতে চোখ রাখুন মুক্তকণ্ঠতে।
গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আজ অষ্টম নারী সাফের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও নেপাল। এই ম্যাচের সকল আপডেট পেতে চোখ রাখুন মুক্তকণ্ঠতে।
নেপালে যা ঘটেছে ২০০৮ সালে, বাংলাদেশে সেটা হয়েছে ২০২৪ সালে। বাংলাদেশ ও নেপালের পরিস্থিতির তুলনামূলক আলোচনা করে লিখেছেন মানজুর-আল-মতিন
নেপাল ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করেছে বলে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর সাম্প্রতিক মন্তব্য ২০০ বছরের পুরোনো সীমান্ত বিরোধকে আবারও চাঙা করে তুলেছে।
নেপালে জেন-জি সমর্থিত বালেন শাহ সরকারের ১০০ দিন পূর্তিতেই রাস্তায় নেমেছেন তরুণরা। অবৈধ বসতি উচ্ছেদ, প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা এখন তাঁদেরই নির্বাচিত সরকারের কাছে জবাবদিহিতা চাইছেন।
গত শনিবার বন্যাকবলিত বস্তিবাসীদের পাশে দাঁড়াতে একটি হোল্ডিং সেন্টারে গেলে জেন–জি আন্দোলনের কর্মী মজিদ আনসারি, সারিশমা থাপা ও নেলসন ঘাটানিকে পুলিশ আটক করে। একই সঙ্গে নেপালে এক তরুণের আত্মাহুতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় সরকারের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে।
বর্তমানে নেপালের ২০টি শহরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে পাঠাও অ্যাপ।
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাঙ্গনে ছাত্র ও শিক্ষকরাজনীতির গুরুত্ব যেন পাঠ্যপুস্তকের গুরুত্বের চেয়ে অনেকটাই বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দৌড়ের এই রুট কাঠমান্ডু শহর ঘিরে থাকা সাতটি পাহাড় নিয়ে তৈরি। চড়াই-উতরাই, অসংখ্য পাথুরে সিঁড়ি ভেঙে ওঠানামা, ঘন জঙ্গলের মাঝ দিয়ে যেতে হয়।
নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ মন্ত্রিসভায় নারীদের প্রাধান্য দিয়ে প্রশংসা পেয়েছেন, কিন্তু ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বিতর্কিত হয়েছে। শিক্ষা ও প্রশাসনে বড় সংস্কার ঘোষণা করেছেন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলিকে গ্রেপ্তারের পর রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র।
নেপালের নতুন সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল সংস্কার আনতে ১০০ দফার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিলসহ রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এগুলো শিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করার লক্ষ্যে।
২০২৫ সালে নেপালে তরুণদের তুমুল বিক্ষোভের মুখে ৭৪ বছর বয়সী ওলি পদত্যাগে বাধ্য হন
বালেন্দ্র শাহর শপথের পর প্রেসিডেন্ট আরও ১৪ জন মন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান।