নারীর ন্যায়বিচারের পথে বড় বাধা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা
নারীর ন্যায়বিচারে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও কাঠামোগত বাধা দূর করার আহ্বান।
নারীর ন্যায়বিচারে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও কাঠামোগত বাধা দূর করার আহ্বান।
প্রতিবছর নারী দিবসে আমরা নারীর শক্তি, স্থিতিস্থাপকতা ও কৃতিত্ব উদ্যাপন করি। তবু বক্তৃতা ও স্লোগানের আড়ালে একটি নীরব, অস্বস্তিকর সত্য লুকিয়ে আছে: নারীদের এখনো নিজেদের এমনভাবে প্রমাণ করার আশা করা হয়, যেভাবে পুরুষেরা তা করে না।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীবিদ্বেষী প্রচারণা রোধে সচেতনতা, ইতিবাচক কনটেন্ট তৈরি, নারীর সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সিরিয়ার কুর্দি–অধ্যুষিত এলাকার জিনওয়ার গ্রামে পুরুষদের থাকার কোনো সুযোগ নেই, সেখানে সব কিছু নারীরাই চালান।
আমরা যারা আশি-নব্বইয়ের দশকে বেড়ে উঠেছি, বোঝার বয়স থেকেই দেখেছি, বাংলাদেশের সরকারপ্রধান একজন নারী। ১৯৯১ সালের স্কুলজীবন থেকে শুরু করে তিন দশকের বেশি সময় ধরে দুই নারী নেত্রীর হাতেই ছিল শাসনভার।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও করপোরেট খাতে নারীর অংশগ্রহণ এখনো কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছায়নি।
নারীরা নেতৃত্ব পর্যায়ে সমান অংশগ্রহণ চান। এ জন্য পরিবার ও সমাজে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে কৃষি নিবিড়ভাবে যুক্ত। এই কৃষিব্যবস্থার পেছনে রয়েছে লক্ষ মানুষের পরিশ্রম।
সরকার মেয়েদের জন্য অবৈতনিক স্নাতকোত্তর শিক্ষা কার্যক্রম চালু করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা বলেন, জেন্ডার বাজেটের সঠিক বাস্তবায়নের জন্য তথ্য-উপাত্ত নির্ভুল রাখা এবং স্বচ্ছ মূল্যায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম থাকলেও তা বন্ধ হচ্ছে না। শুধু দরিদ্র পরিবার নয়, ধনী পরিবারেও রয়েছে বাল্যবিবাহ।
সংগঠনটি এই নারীবিদ্বেষী বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার দাবি তুলেছে।