দুর্ঘটনা কমাতে দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা
মৃত্যুর মিছিল আমরা সড়কে দেখছি, রেলে দেখছি, নৌপথেও দেখছি, অর্থাৎ পুরো পরিবহন খাতে শত শত ঝুঁকি। এ অবস্থায় হতাহতের সংখ্যা কমবে না।
মৃত্যুর মিছিল আমরা সড়কে দেখছি, রেলে দেখছি, নৌপথেও দেখছি, অর্থাৎ পুরো পরিবহন খাতে শত শত ঝুঁকি। এ অবস্থায় হতাহতের সংখ্যা কমবে না।
রাজধানীর মগবাজারের আদ্–দ্বীন হাসপাতালে ঘটে যাওয়া ট্র্যাজেডি কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া অসম্ভব।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশে সড়ক দুর্ঘটনা ও বিকল ট্রাকের কারণে প্রায় ৩৪ কিলোমিটারজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
হবিগঞ্জ থেকে ফেরার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বাস খাদে পড়ে নিহত হয়েছেন রিক্তা আক্তারের বাবা ও সাত বছরের ছেলে। আহত রিক্তা এখনো তাঁদের মৃত্যুর খবর জানেন না।
কৌতূহলবশত দুর্ঘটনাস্থলে মানুষের ভিড় ঠেলে লাশের কাছে গিয়ে এক নারী দেখতে পেলেন সড়কে তাঁর ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে। তা দেখে ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন ওই মা।
শফিকুর রহমান বলেন, এই দুর্ঘটনাগুলোতে নিহতদের পরিবারগুলোর শোক কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। নিহত সবার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন তিনি।
আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সদর ইউনিয়নের জামালের দোকান এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জাহাজের ট্যাংক বা আবদ্ধ জায়গায় শ্রমিক নামানোর আগে গ্যাস পরীক্ষা করতে হয়।
‘ছিনতাইকারীর হাতে নারীসহ দুজন নিহত’ শিরোনামে ২০১৮ সালের ২৭ জানুয়ারি একটি দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়।
নিহত মোহাম্মদ তুহিন কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ সদস্য শামসুল হকের ছেলে। সে গাইটাল জনতা স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলে দুজনই হারিয়েছেন পা। এবার মির্জাপুরে সিঁধেল চুরিতে বিকাশ ব্যবসার পুঁজি নগদ টাকা ও মুঠোফোন খুইয়ে বিপাকে পরিবার।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে স্বজনেরা যখন মরদেহ বুঝে নিচ্ছিলেন, তখন পটিয়ার খানমোহনা এলাকার বাড়িতে মাতম। স্বামী হারানোর খবর শুনে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন কামরুন নাহার