বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি, ইরান যুদ্ধের ফল
সামুদ্রিক গবেষণা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ড্রিউরির তথ্যমতে, ১০ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল রপ্তানি দৈনিক ৫২ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে, গত সাত মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।
সামুদ্রিক গবেষণা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ড্রিউরির তথ্যমতে, ১০ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল রপ্তানি দৈনিক ৫২ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে, গত সাত মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, তেল উৎপাদন কমিয়ে টানা দুই মাস রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখলেও ইরানের অর্থনীতিতে খুব বড় কোনো প্রভাব পড়বে না।
কিছুদিন আগপর্যন্ত দেশটি ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেলের অধিকাংশ চাহিদা পূরণ করত।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনের বাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন তেল স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে।
গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যে নৌ অবরোধ শুরু করে ওয়াশিংটন, তা ইরানকে শান্তিচুক্তির শর্ত মেনে নিতে চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ।
তেল পরিবহনের নতুন পাইপলাইন চালুর পরিকল্পনা করছে সিরিয়া, ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্র।
সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।
ইরান যুদ্ধ পারস্য উপসাগর দিয়ে তেল ও গ্যাসের অধিকাংশ বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে হাজার হাজার মাইল দূরের দেশগুলো হঠাৎ করেই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বেশ সংকটে পড়েছে।
যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।
ইরানের সঙ্গে সই হওয়া ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
খারগ দ্বীপ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালী বন্ধে পারস্য উপসাগরের তেল-গ্যাস রপ্তানি স্তব্ধ। যুক্তরাষ্ট্র এর সুযোগ নিয়ে রেকর্ড রপ্তানি ও মুনাফা করছে। এল পাইসের প্রতিবেদনে ফ্র্যাকিং প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিস্তারিত।