তেলাপোকাদের লড়াইয়ের পরিধি এখন অনেক বড়
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এখন খুব সামান্য এক দাবি। লড়াইয়ের পরিধি এখন অনেক বড়। ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত গোটা শাসনব্যবস্থার পচন এখন স্পষ্ট, যা পচা লাশের মতো দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এখন খুব সামান্য এক দাবি। লড়াইয়ের পরিধি এখন অনেক বড়। ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত গোটা শাসনব্যবস্থার পচন এখন স্পষ্ট, যা পচা লাশের মতো দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
২০২১ সালে মন্ত্রিসভার রদবদলে এক ধাক্কায় বাদ দিয়েছিলেন ১২ জনকে। কোভিড তখন চরমে, অথচ স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনকে ছেঁটে ফেললেন! টুইটারের বিরুদ্ধে জিহাদে নেমেছিলেন আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তাঁকে ছাঁটাই করলেন। সরালেন শিক্ষানীতির রূপকার শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিওয়াল, পরিবেশমন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর, সারমন্ত্রী সদানন্দ গৌড়, শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ারকে।
হুমকি পাওয়া ও ভারতে বসবাসকারী তাঁর পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার কথা অভিজিৎ দিপকে এক সাক্ষাৎকারেও জানিয়েছেন।
স্যাঁতসেঁতে রান্নাঘরে তেলাপোকা বিচরণ। রান্নাঘর ও কাঁচামাল সংরক্ষণের জায়গায় আসা-যাওয়া করছে ইঁদুর। এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই তৈরি হচ্ছিল কাচ্চি, বিরিয়ানিসহ নানা খাবার। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার এলাকায় কাচ্চি ডাইন রেস্তোরাঁয় এমন চিত্র দেখতে পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ঢাবির হলের ক্যানটিনে অখাদ্য, নিম্নমানের খাবার ও তদারকির অভাবে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
অভিজিৎ দিপকেকে চড়থাপ্পড় মারা ও লাঞ্ছিত করার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভারতে সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ এক অদ্ভুত চিত্র সামনে এনেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের গভীর অনিরাপত্তা যেন প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। কয়েকজন কলেজপড়ুয়া তরুণ-তরুণী মিলে তৈরি করেছিলেন একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন অ্যাকাউন্ট—‘ককরোচ জনতা পার্টি’।
ভারতে বিচারকের মন্তব্য বেকার তরুণদের মধ্যে বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে, যা অনলাইনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
ভারতের তরুণদের মধ্যে জমে থাকা ক্ষোভ অপ্রত্যাশিতভাবে রূপ নিয়েছে একটি অপ্রথাগত রাজনৈতিক দলে। সেটি হলো—‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি। দিল্লিতে সমাবেশ করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলেছে তারা।
সিজেপিকে একটি প্রাথমিক পর্যায়ের সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিকভাবে সোচ্চার, ডিজিটালি সুসংগঠিত ও আবেগে চালিত।
ভারত থেকে এখন আর ককরোচ জনতা পার্টির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। অভিজিৎ দিপকে বলেন, তাঁরা নতুন ঠিকানা তৈরির কাজ করছেন।
ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক-ডিজিটাল পরিসরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ একটি অদ্ভুত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এটি ভারতীয় জেন-জি প্রজন্মের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ।