জেলা পরিষদে ‘দলীয় প্রশাসক’ নিয়োগের প্রতিবাদ জামায়াতের
দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসকদের আমন্ত্রণে ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ মেনে মর্যাদাক্রম নিশ্চিত করতে সব জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ৬৩ জেলার প্রশাসক নিয়োগের হালনাগাদ তথ্যও দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ অভিযোগ করেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা স্বল্প ভোটে পরাজিত হন। গতকাল তাঁকে বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা আনন্দিত।
রোববার রাতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন গণ অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ।
এবার দেশের ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
সরকার আরও ১৪টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ করেছে। এর ফলে মোট ৫৬টি জেলায় প্রশাসকরা চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। তিনি জেলা বিএনপির সদস্যসচিব।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট–১ (সদর-পাঁচবিবি) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য (এমপি) হতে পারেননি জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান। তবে দল তাঁকে নিরাশ করেনি। এবার তাঁকে জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা ও সাতক্ষীরা—এই তিন জেলা পরিষদে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ।
ঢাকার নতুন বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা এবং কুমিল্লায় ডিসি রোজী আকতার নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।