গারো পাহাড়ঘেরা হারিয়াকোনা যেন জীবন্ত ক্যানভাস
শেরপুরের গারো পাহাড়ঘেরা হারিয়াকোনা এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের নতুন আকর্ষণ। নদী, পাহাড়, টিলা ও গারো সংস্কৃতির অনন্য মেলবন্ধন মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের।
শেরপুরের গারো পাহাড়ঘেরা হারিয়াকোনা এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের নতুন আকর্ষণ। নদী, পাহাড়, টিলা ও গারো সংস্কৃতির অনন্য মেলবন্ধন মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের।
শেরপুরের গারো পাহাড়ের প্রাকৃতিক ঘাসভিত্তিক দেশি গরু পালন সীমান্ত এলাকার শতাধিক খামারির আয় বাড়িয়েছে। কম খরচে লাভ হওয়ায় বদলে যাচ্ছে জীবনযাত্রা ও অর্থনীতি।
শেরপুরের গারো পাহাড়সংলগ্ন সীমান্তবর্তী তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় এখন দিগন্তজোড়া সবুজের মুগ্ধতা। চোখ যত দূর যায়, তত দূর ধানের খেত—কোথাও গাঢ় সবুজ, কোথাও হালকা সবুজ, আবার কোথাও সোনালি আভা।
শেরপুরে পাহাড়ের পাদদেশে বাণিজ্যিকভাবে গোলাপের চাষ বাড়ছে। এসব ফুল প্রতিদিন ঢাকার বাজারে যায়। ভালো আয়ে অনেকেই এখন গোলাপ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
প্রায় দুই দশক আগে শেরপুরের গারো পাহাড়ে রোপণ করা আগরগাছগুলো এখন সুগন্ধি উৎপাদনের উপযোগী হয়েছে।
শেরপুরে গারো পাহাড়-সংলগ্ন সীমান্তবর্তী বনাঞ্চলকে আগুনের ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় তরুণেরা। কয়েক দিন ধরে ‘হাতির খবর ও সচেতনতা গ্রুপ’ নামে বন-সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতামূলক ব্যানার টাঙানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলে জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য পদে প্রথমবারের মতো গারো জাতিগোষ্ঠীর একজন নির্বাচিত হয়েছেন। নবনির্বাচিত এই সদস্যের নাম জন জেত্রা।
হাতির আগমন ঠেকাতে বৈদ্যুতিক ফাঁদ তৈরি, স্থানীয় লোকজনের বাধা এবং আইনগত জটিলতা তুলে ধরা হয়েছে।
বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা জুবায়ের হোসেন ঘটনাস্থলে যান। বিষয়টি সমাধান করেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নে ১৫০ একর জমির মালিকানা নিয়ে বহু বছর ধরে বন বিভাগের সঙ্গে স্থানীয় ইছলাছড়া পুঞ্জির (খাসিয়া ও গারো সম্প্রদায়ের গ্রাম) লোকজনের বিরোধ চলছে।
পাহাড়ে এখন আর আগের মতো সময় মেনে বৃষ্টি হয় না। শুকিয়ে গেছে প্রাকৃতিক ঝিরি ও পাহাড়ি ঝরনা। অবাধে বৃক্ষ নিধন ও পাহাড় কাটার ফলে বন থেকে হারিয়ে গেছে আমলকী, হরিতকী, বহেড়া ও বুনো কলার গাছ। ফলে খাদ্য ও পানির তীব্র সংকটে পড়েছে গারো পাহাড়ের বন্য হাতির দল।
একাত্তরে শরণার্থী হয়ে গারো পাহাড়ে গিয়ে উঠেছিলাম। বাবা ছিলেন শিক্ষক। তাঁর এক দেশান্তরী ছাত্রের বাড়িতে শেষতক আশ্রয় পেলাম বারেঙ্গাপাড়ায়।