
দাম কমলে আরও বাড়বে এলপিজির বাজার
দেশে নতুন এলপিজি ব্যবহার মধ্যবিত্তের পকেটে টান ফেলছে। সিলিন্ডারের দাম এখন প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি খরচের কারণে এই জ্বালানির চাহিদা কমছে।

দেশে নতুন এলপিজি ব্যবহার মধ্যবিত্তের পকেটে টান ফেলছে। সিলিন্ডারের দাম এখন প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি খরচের কারণে এই জ্বালানির চাহিদা কমছে।

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে।

দেশে বর্তমানে আবাসিক ফ্ল্যাট, রেস্তোরাঁ ও হোটেলে প্রায় ৫ কোটি ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহৃত হচ্ছে।

ব্যবহারিক ও অর্থনৈতিক সমাধানে ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড বাজারে নিয়ে এসেছে ছোট সিলিন্ডার ‘ওমেরা সহজ’।

তুর্কি এলপিজি খাতের শীর্ষস্থানীয় নাম ‘আইগ্যাস’ ও দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী ‘ইউনাইটেড গ্রুপ’-এর যৌথ উদ্যোগে ২০২১ সালে যাত্রা শুরু করে ‘ইউনাইটেড আইগ্যাস এলপিজি লিমিটেড’।

এলপিজি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা বিধি মানার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনা হয়।

আজ বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাক্-বাজেট আলোচনায় সকালে ৪টি ও বিকেলে ৯টি চেম্বার সংগঠন তাদের বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরে।

রাতারাতি জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করায় জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

আজ নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।

সরকারি দামে কেউ সিলিন্ডার বিক্রি করছেন না। ২ এপ্রিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন দাম ঘোষণা করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা হলেও খুচরা বাজারে ১৯০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক মাসে দাম বেড়েছে ৪৫০-৫৫০ টাকা। পরিবেশকরা কোম্পানির বেসরকারি দামের অভিযোগ তুলেছেন।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি) সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাড়তি দামে বিক্রি বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিইআরসি এলপিজির দাম বাড়িয়েছে।