
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা: জেডি ভ্যান্স সুইজারল্যান্ডে, শাহবাজসহ আরও কারা যাচ্ছেন
এর আগে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

এর আগে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

এমন অবস্থায় শান্তি আলোচনার পরিবেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের আলোচনা শেষে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে সই করেছে। তবে প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিভিন্ন পক্ষ থেকে চুক্তিটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থী ইরানবিরোধীরা একে একটি একপেশে চুক্তি হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দলই একে একটি ‘বাজে চুক্তি’ হিসেবে গণ্য করছে।

লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

হরমুজ প্রণালিতে টোল বসানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে, তখন চীনের শীর্ষ নেতারা বন্ধুভাবাপন্ন আরেকটি দেশের সরকার পতনের আশঙ্কা করছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সুইজারল্যান্ডে বৈঠক হবে। পাকিস্তান ও কাতার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অংশগ্রহণ করবে।

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে হরমুজ বন্ধ করল ইরান

হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা এলেও যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের কর্মকর্তারা সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।

তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও লেবাননে ইসরায়েলের হামলার কারণে এর আগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প।