
ইরান ‘শক্তিশালী, একইসঙ্গে অহংকারী’ বলে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করছে না
ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।

ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।

সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছানোর পর মানুষের মধ্যে অনেক সময় ‘আমি’ বোধ বা অহংকার দানা বাঁধে। অহংকার সামাজিক ও মানসিক প্রশান্তিকেও ধ্বংস করে দেয়।

জামায়াত নেতা শিশির মনির সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারকে সতর্ক করেছেন, যুক্তির পরিবর্তে অহংকার ও শক্তি প্রদর্শন না করতে। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১২টি ল্যাপস এবং ৩টি বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গণভোটসহ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

কাবার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ উপলব্ধি করে, এই দুনিয়ার সমস্ত গৌরব, অহংকার ও কৃত্রিমতা কত ক্ষণস্থায়ী! সেখানে মানুষ শুধু আল্লাহর বান্দা হিসেবেই পরিচিত।

সম্পর্কের ক্ষেত্রেও সপ্তাহটি গুরুত্বপূর্ণ। কাছের মানুষ বা সঙ্গীর সঙ্গে নতুন বোঝাপড়া তৈরি হতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে অহংকার বা জেদের কারণে দূরত্বও তৈরি হতে পারে।

হিংসা, অহংকার, সংশয় আর অস্থিরতা হলো অন্তরের কঠিন ব্যাধি। এই আধ্যাত্মিক রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে পবিত্র কোরআনের ১০টি মহৌষধ তুলে ধরা হলো।

মধ্যযুগে তুরস্কের এক বাদশাহ নিজের চেহারাসুরত নিয়ে খুব অহংকারে ভুগতেন। তিনি তাঁর সভাসদ মোল্লা নাসিরুদ্দিনকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমার এই সুন্দর দেহ নিয়ে আমি যদি ক্রীতদাসের বাজারেও দাঁড়াই, তাহলে বলো তো হে আমার মূল্য কত হবে?’

ঝড় উঠুক, উঠুক অনিবার্য কোনো নিয়তির মতো বৈশাখের উন্মত্ত নিশ্বাসে ভেঙে যাক মানুষের অহংকারে গড়া দালান, ধূলিসাৎ হোক ইট-কাঠের সভ্যতার মিথ্যা গৌরব, আছড়ে পড়ুক বৃক্ষেরা—

কোরআনের কারুনের কাহিনী থেকে শিক্ষা নিয়ে আদর্শবাদী সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ফিতনা এবং পতন রোধের উপায় তুলে ধরা হয়েছে। কারুনের অহংকার, সম্পদের মোহ এবং দলের বিভাজনের ঘটনা বিস্তারিত বর্ণিত। ফেরাউন, হামান ও কারুনের চক্রের প্রতীকী অর্থও আলোচনা করা হয়েছে।

এই সময়ে নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস রাখলে ফল ভালোই পাবেন। তবে অহংকার আর আত্মসম্মানের মধ্যে যে সূক্ষ্ম রেখাটা আছে, সেটা ভুলে গেলে চলবে না।

যারা অজ্ঞ ও অহংকারী, তারা কখনো হেদায়েত পায় না, জ্ঞানও হাসিল করতে পারে না। বৃষ্টি ও মাটির উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি তিনি চমৎকারভাবে তিনি বুঝিয়েছেন।

যখন একটি জাতি তার শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড হিসেবে বংশ বা বর্ণকে বাদ দিয়ে ‘তাকওয়া’ বা নৈতিকতাকে গ্রহণ করে, তখন সেখানে সাম্প্রদায়িক ফেতনার কোনো স্থান থাকে না।