তুরাগ নদে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক উত্তরা প্রকল্পের মসজিদে নিহতের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে তাকে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে উত্তরখানের রাজাবাড়ি ঘাট সংলগ্ন তুরাগ নদী থেকে নৌ-পুলিশ বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত তাহসিফ সৌরি রাজধানীর তুরাগের রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের করবী ভবনের বাসিন্দা কে এম এনায়েতুল করীম হেলালের বড় ছেলে। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন তিনি।

এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন নিহতের বাবা কে এম এনায়েতুল করীম হেলাল। তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, “এটি পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। লাশ নদীতে পাওয়া গেছে। ওই এলাকায় ও (সৌরি) কখনোই যায় না। আমরা চাই এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত হোক। সেই সঙ্গে হত্যাকারীদের বিচার হোক।”

অন্যদিকে, নিহতের ছোট চাচা তাহসিনুল করীম সাউদি মুক্তকণ্ঠকে জানান, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ৩৫ মিনিটে সৌরির মোবাইল থেকে তার মাকে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠানো হয়েছিল, যাতে বলা হয় যে সে বাসায় ফিরছে। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল এবং তার সাথে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।