জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি শুরুতেই পুলিশ আটকে দিয়েছে। পরে তারা এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ করে।
সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানি প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে শোষণের অভিযোগ তুলে আজ বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচির ডাক দেয় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর শাহজাদপুর বাসস্ট্যান্ডের কনফিডেন্স সেন্টারের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের দিকে যাওয়ার কথা ছিল সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের।
শুরুতে তাঁরা কনফিডেন্স সেন্টারের সামনে জড়ো হন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মিছিল নিয়ে গুলশান অভিমুখী সড়কে এগোতে চাইলে সামান্য দূরত্বে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলটি আটকে দেয়।
এ সময় মিছিলে নেতা-কর্মীরা ‘ভারতের আধিপত্য, রুখে দাও জনগণ’, ‘ত্রিবেদীকে বহিষ্কার করতে হবে, করতে হবে’, ‘ঘেরাও হবে, ঘেরাও হবে, হাইকমিশন ঘেরাও হবে’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা, ঢাকা’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।
ভারতে পালিয়ে যাওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ না করায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে বহিষ্কারের দাবি জানান সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে করা সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী এহসান বলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে দিনেশ ত্রিবেদীকে বহিষ্কার করতে হবে। তা নাহলে ভারতীয় পণ্য বর্জনসহ নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে।
দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে এ কর্মসূচি শেষ হয়। তখনো সেখানে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।