আগামী রোববার (১ নভেম্বর) ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই বিশেষ ড্র-তে প্রথম পুরস্কার হিসেবে একজন ভাগ্যবান বিজয়ী পাবেন ৬ লাখ টাকা।
সাধারণত সারাজীবনের সঞ্চিত অর্থ কোথায় বিনিয়োগ করা হবে, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। কেউবা বিনিয়োগ করেন স্থায়ী সম্পদে, কেউবা বেছে নেন সঞ্চয়পত্র কিংবা বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ। তবে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য সঞ্চয়ের অন্যতম একটি স্মার্ট ও জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রাইজবন্ড।
সমাজের সকল স্তরের মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই সরকার ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’ নামে এই বিশেষ বন্ড চালু করেছে। এই বন্ডের অন্যতম সুবিধা হলো এটি যেকোনো সময় কেনা এবং প্রয়োজনে ভাঙানো যায়। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এর ১২৫তম ড্র।
পুরস্কারের কথা বললে, প্রাইজবন্ডের প্রথম পুরস্কার বিজয়ীকে দেওয়া হয় ৬ লাখ টাকা। দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ীরা পাবেন তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা করে। তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ীদের জন্য বরাদ্দ এক লাখ টাকা এবং চতুর্থ পুরস্কার বিজয়ীরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা করে। এছাড়া পঞ্চম পুরস্কার বিজয়ীদের প্রত্যেককে দেওয়া হয় ১০ হাজার টাকা। প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের ক্ষেত্রে ঘোষিত সংখ্যার প্রতিটি সিরিজের সেই নির্দিষ্ট সংখ্যার বন্ড একই পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
ড্রয়ের নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত তারিখ থেকে ৬০ দিন আগে (বিক্রির তারিখ গণনা করে এবং ড্রয়ের তারিখ বাদ দিয়ে) যেসব প্রাইজবন্ড বিক্রি করা হয়েছে, সেগুলোই এই ড্রয়ের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, আয়কর আইন ২০২৩ এর ১১৮ ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটার বিধান রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, প্রতি বছরের ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর তারিখে ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারিত থাকে। যদি নির্ধারিত তারিখে কোনো সাপ্তাহিক বা সরকারি ছুটি থাকে, তবে তার পরবর্তী কার্যদিবসেই ড্র অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।