জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর আমাকাওয়া কাজুহিকোর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপানের টোকিওতে আজ বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি খাত, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং অবকাঠামো খাতের উন্নয়ন ও এই ক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনার এক পর্যায়ে বাংলাদেশে জেবিআইসির একটি স্থায়ী কার্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

বাংলাদেশে জেবিআইসির একটি কার্যালয় খোলার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হলে প্রতিষ্ঠানটির গভর্নর আমাকাওয়া কাজুহিকো জানান, তিনি এই প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এই বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন।

বৈঠকের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতার জন্য জেবিআইসির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “জেবিআইসির অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”

বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন বিধিবিধান সংস্কার ও সহজীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে।”

এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।