জাতীয় ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনে তিন ম্যাচেই বোলারদের আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। তবে কক্সবাজারের মাঠে বোলাররা কিছুটা ব্যর্থ হয়েছেন, যেখানে সারাদিনে মাত্র চারটি উইকেট পতন ঘটেছে।

চলতি জাতীয় লিগে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন ময়মনসিংহ বিভাগের ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম। টুর্নামেন্টের শুরুতেই ৭০ ও ১০০ রানের দুটি ইনিংস খেলে নজর কাড়ানো এই ব্যাটার কক্সবাজারে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে আরও একটি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। ২৩৭ বলে ৯টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১১৬ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি মাহফিজুলের তৃতীয় সেঞ্চুরি। তাঁর দলের সংগ্রহ দিন শেষে ৪ উইকেটে ২২৬ রান।

অন্যদিকে, সিলেট বিভাগের অধিনায়ক জাকির হাসান ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। লিগের প্রথম দুই ম্যাচে ৬০ ও ৬৫ রানের ইনিংস খেলার পর এবার অপরাজিত ৭১ রান করে টানা তৃতীয়বারের মতো হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন এই ওপেনার। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে পায়ের পেশিতে টান পড়ায় ব্যাটিং ছেড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।

চট্টগ্রামের মাঠে রংপুরের বিপক্ষে লড়াইয়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি জাকিরের দল। তৃতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনেই ১৭৯ রানে অলআউট হয়ে গেছে সিলেট বিভাগ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেছেন নয়ে নামা খালেদ আহমেদ, যার সংগ্রহ ২৬ রান। রংপুরের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন পেসার মেহেদী হাসান এবং লেগ স্পিনার স্বাধীন ইসলাম, উভয়েই ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন। প্রথম দিনের খেলা শেষে ১ উইকেটে ৩২ রান তুলেছে রংপুর।

সিলেট একাডেমি মাঠে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যকার ম্যাচে প্রথম দিনেই ১৩টি উইকেট পতন হয়েছে। প্রথমে ব্যাট করে ২০১ রানে অলআউট হয় খুলনা বিভাগ। জবাবে ৩ উইকেটে ৭২ রান তুলে দিন শেষ করেছে চট্টগ্রাম। খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেছেন উইকেটকিপার ইমরানউজ্জামান এবং ওপেনার আজিজুল হাকিম করেন ৪২ রান। চট্টগ্রামের হয়ে পেসার আহমেদ শরীফ ৪০ রানে ৩টি উইকেট শিকার করেন।

রাজশাহীর মাঠে বরিশালের ব্যাটিং বিপর্যয় দেখা গেছে। পুরো দল ২২৯ রানে অলআউট হয়ে যায়। রাজশাহীর অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম অসাধারণ বোলিং করে ৪টি উইকেট নেন; ১১.১ ওভারে তিনি দিয়েছেন মাত্র ১৫ রান। এছাড়া বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলাম ৩টি উইকেট শিকার করেন। বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেছেন উইকেটকিপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। প্রথম দিনের শেষে ১ উইকেটে ২৪ রান তুলেছে রাজশাহী বিভাগ।