ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সুপারি পাড়া নিয়ে পারিবারিক বিরোধের এক চরম পরিণতিতে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন বড় ভাই। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ব্রহ্মপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মজিবুল ইসলাম (৪৫), তিনি ওই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার দুপুরে। মজিবুল ইসলাম বাড়ির একটি সুপারি গাছ থেকে সুপারি পাড়েন, যা নিয়ে তার ছোট ভাই রবিউল ইসলামের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এই বিষয়টি নিয়ে শনিবার দুপুরে দুই ভাইয়ের মধ্যে তীব্র বাক্বিতণ্ডা শুরু হয়। কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে মারামারিতে রূপ নেয়। পারিবারিক এই কলহে দুই ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও জড়িয়ে পড়েন। সেই সময় রবিউল ইসলাম লাঠি দিয়ে বড় ভাই মজিবুল ইসলামসহ তার স্ত্রী ও ছেলেকে প্রচণ্ডভাবে মারধর করেন, এতে তারা গুরুতর আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পথেই মজিবুল ইসলামের মৃত্যু ঘটে। পরিবারের বাকি আহত সদস্যরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা তার স্ত্রী মিলি খাতুনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, "মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকাবাসী অভিযুক্ত রবিউলের স্ত্রীকে আটক করে পুলিশের কাছে দিয়েছেন। রবিউলকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।"