নরসিংদীর পলাশ উপজেলার তিনটি গ্রামে শিয়ালের কামড়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোর থেকে সকাল নয়টা পর্যন্ত উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার আটিয়াগাঁও এবং ডাঙ্গা ইউনিয়নের খিলপাড়া ও কামতাল গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে। আটিয়াগাঁও গ্রামের লোকজন সকালে একটি শিয়ালকে গর্তে ফেলে হত্যা করেন।
শিয়ালের কামড়ে আহত ব্যক্তিরা হলেন মো. সাইফুল্লাহ (৪০), হেলেনা বেগম (৪৫), হাফিজা বেগম (৬০), খালেক মিয়া (৪০), মো. আল আমিন (৪০), তাসলিমা বেগম (৪৮), আনোয়ারা বেগম (৪৫), শাহিদা বেগম (৪৩), আবদুস সাত্তার (৬৫) ও সালেহা বেগম (৪৫)। তাঁরা ঘোড়াশাল পৌর এলাকা ও ডাঙ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তাঁরা নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহত ব্যক্তিরা জানান, আজ ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে সকাল নয়টা পর্যন্ত আটিয়াগাঁও, খিলপাড়া ও কামতাল এলাকায় কয়েকটি শিয়াল একের পর এক মানুষকে কামড়াতে থাকে। তবে মোট কয়টি শিয়াল, তা কেউ জানাতে পারেননি। ভোরে কেউ নামাজ পড়তে মসজিদে যাচ্ছিলেন, আবার সকালে কেউ বাড়ির আঙিনায় বা আশপাশে কাজ করছিলেন। ওই সময় শিয়াল কামড় দেয়।
খিলপাড়া গ্রামের আহত আবদুস সাত্তার জানান, ভোরে তিনি মসজিদে নামাজ পড়তে যাচ্ছিলেন। পথে হঠাৎ একটি শিয়াল তাঁর পায়ে কামড় দেয়। আশপাশের লোকজন ছুটে এলে শিয়ালটি পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘নরসিংদী সদর হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার দেখিয়েছি, টিকা নিয়েছি। এলাকায় শিয়ালের আতঙ্ক আছে।’
আটিয়াগাঁওয়ের বাসিন্দা এইচ এম কাউসার হোসেন বলেন, ভোরে আটিয়াগাঁও গ্রামের খালেক মিয়া ও আরও দুই নারীকে একটি শিয়াল কামড় দেয়। স্থানীয় লোকজন শিয়ালটিকে ধাওয়া করে গ্রামের একটি বাড়ির পাশের গর্তে ফেলে হত্যা করেন।
শিয়ালের কামড়ে আহত ১০ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিপাশা মাসুক। তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, হাসপাতালের র্যাবিস ভ্যাকসিন কেন্দ্র থেকে তাঁদের প্রত্যেককে টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকা নিয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরেছেন।