সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় ছেলের মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মায়েরও মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ছেলের মৃত্যুর পর দাফন করার জন্য দুপুরে কবরস্থানে নেওয়া হয়। তখন মায়েরও মৃত্যু হয়। রায়গঞ্জের ধুবিল ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পাশাপাশি কবরে তাঁদের দাফন করা হয়।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল আটটার দিকে বেতুয়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম সরকার (৬০) মারা যান। তিনি বেশ কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা ভেঙে পড়েন। বেলা একটার দিকে জানাজা ও দাফনের জন্য মরদেহ বাড়ি থেকে স্থানীয় কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর সোয়া একটার দিকে সাইফুলের মা তারা বানু (৯০) মারা যান।

তারা বানুর নাতি কলেজশিক্ষক মো. আজিজুল হক মুক্তকণ্ঠকে বলেন, তাঁর দাদির পাঁচ ছেলে ও চার মেয়ে। আগেই এক চাচা মারা গেছেন। প্রায় ২০ বছর আগে দাদার মৃত্যু হয়। আজ দ্বিতীয় ছেলের মৃত্যুর পর শোক সইতে না পেরে দাদির মৃত্যু হয়। বিকেলে আসরের নামাজের পর তাঁর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

মা ও ছেলে মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সানোয়ার হোসেন বলেন, জানাজা শেষে বেতুয়া দক্ষিণপাড়া কবরস্থানে দুপুরে ছেলেকে ও বিকেলে মাকে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়েছে।

সলঙ্গা এলাকায় শিশুদের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান মোস্তফা জামান বলেন, একই দিনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে বেতুয়া গ্রামে শোক বিরাজ করছে। তিনি দুজনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।