গাজীপুরে গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে লরি বা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহের অভিযোগে ৬টি সিএনজি স্টেশনের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। একই সাথে ভ্রাম্যমাণ আদালত এসব স্টেশনের বিরুদ্ধে সর্বমোট ২ কোটি ৫ লাখ টাকার বেশি জরিমানা ধার্য করেছে।
গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে দিনব্যাপী এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি এবং বিস্ফোরক অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই যৌথ অভিযানটি চালানো হয়।
দুদকের গাজীপুর সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এনামুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে তিতাস আইন ও বিস্ফোরক আইন লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযানে দেখা যায়, ক্যাপটিভ সংযোগ এবং সিএনজি সংযোগকে একই ক্যাটাগরিতে দেখিয়ে বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এই অপরাধে রিয়াজ ফিলিং স্টেশনকে ২ কোটি টাকার অধিক জরিমানা করা হয়।
এছাড়া অবৈধভাবে সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহের দায়ে আরও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— মাহবুব ফিলিং স্টেশন, মাম সিএনজি স্টেশন, আল-হেরা সিএনজি স্টেশন, ব্লেস সিএনজি স্টেশন এবং সুশল সিএনজি স্টেশন। এই প্রতিটি স্টেশনকে ১ লাখ টাকা করে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান প্রসঙ্গে দুদক গাজীপুর সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এনামুল হক মুক্তকণ্ঠকে বলেন, “সোমবার দিনভর আমরা অভিযান চালিয়েছি। আমাদের সঙ্গে তিতাস গ্যাস ও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের একটি টিম ছিল। ১ লাখ টাকা করে ৫টি স্টেশন ও রিয়াজ পাম্পকে ২ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গ্যাস খাতের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতি রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”