মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার খালইস্ট এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে নারী আটকে থাকার খবর পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল। তবে ফ্ল্যাটে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায়, ওই নারী ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ করে এক বান্ধবীর বাসায় অবস্থান করছিলেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে এ খবর দেওয়া হয়।

মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম মুক্তকণ্ঠকে এ তথ্য জানান।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বিউটি বেগম ফোন করে জানান, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার খালইস্ট এলাকায় নতুন পাসপোর্ট অফিসের সামনে একটি পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে তার মেয়ে সারিফা ইসলাম কাকলি (২১) আটকা পড়েছেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।

পরে বিউটি বেগম জানান, তার মেয়ে ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ করে এক বান্ধবীর বাসায় অবস্থান করছিলেন।

এ বিষয়ে মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, কোনো বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে এ ধরনের সংবাদ দেওয়া উচিত নয়। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট অপ্রয়োজনে ব্যস্ত থাকলে অন্য কোথাও অগ্নিকাণ্ড, সড়ক দুর্ঘটনা কিংবা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সেবা পৌঁছাতে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এতে সরকারি সম্পদেরও অপচয় হয়।

তিনি জরুরি পরিস্থিতির খবর দেওয়ার আগে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা এবং ফায়ার সার্ভিসকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।