অস্ট্রেলিয়া নারী দলের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি–টুয়েন্টি মিলিয়ে এ পর্যন্ত ১১টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ নারী দল। হেরেছে পাঁচটি ওয়ানডেতে আর ছয়টি টি–টুয়েন্টির সব ম্যাচেই। পেছনে এ রকম অতীত রেখেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আগামীকাল তাদের মাটিতে প্রথমবার দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। তিন ওয়ানডে সিরিজের সব ম্যাচই ব্রিসবেনে।

আইসিসির র‌্যাঙ্কিংয়ে অস্ট্রেলিয়া আছে সবার ওপরে, বাংলাদেশের অবস্থান সাত। বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা যদিও আশাবাদী, দল হিসেবে খেলতে পারলে অস্ট্রেলিয়াকেও চমকে দেওয়া সম্ভব। যদিও সর্বশেষ নারী এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের মেয়েদের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।

ব্রিসবেনে আজ সংবাদ সম্মেলনে নিগার অবশ্য বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, বর্তমানের ওপর মনোযোগ দেওয়াটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করছি, দল হিসেবে খেলতে পারব। আমাদের বিশ্বাস, সবাই মিলে দল হিসেবে খেললে আমরা যেকোনো দলকেই চমকে দিতে পারি।’

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এ পর্যন্ত কোনো ওয়ানডে খেলেনি বাংলাদেশ নারী দল। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও যে ৪ ম্যাচ খেলেছে, ভিন্ন ভিন্ন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে হেরেছে সবগুলোতেই। গত পরশু কুইন্সল্যান্ড ফায়ারের বিপক্ষে ৫০ ওভারের প্রস্তুতি ম্যাচেও বৃষ্টি আইনে হারতে হয়েছে ৭২ রানে।

অস্ট্রেলিয়ার পেস ও বাউন্সি উইকেটের চ্যালেঞ্জ নেওয়ার প্রস্তুতি কেমন হলো, এমন প্রশ্নে নিগার বলেন, ‘এখানকার কন্ডিশন আমাদের দেশের চেয়ে একেবারেই আলাদা। আমরা সেভাবেই নিজেদের প্রস্তুত করার চেষ্টা করছি। কয়েকটি অনুশীলন সেশন করেছি, একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছি। তাতে উইকেট সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেয়েছি। তবে আমার মনে হয়, সবকিছু নির্ভর করছে আমাদের মানসিকতার ওপর।’

প্রায় ছয় মাস পর ওয়ানডে খেলতে নামছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। মাঝে টি–টুয়েন্টিতে বেশ খারাপ সময়ই কেটেছে। এশিয়া কাপে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়ার পর এশিয়ান গেমস থেকেও ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। এখন ওয়ানডেতে ফিরে অধিনায়ক যেন কিছুটা স্বস্তিতেই আছেন।

নিগারও বলেন, ‘আমার মনে হয়, এই সংস্করণে আমরা খুব ভালো খেলি। দেশের মাটিতে হোক কিংবা দেশের বাইরে, এই সংস্করণে আমাদের ভালো করার সামর্থ্য আছে। আমাদের দলে এমন কয়েকজন বিশেষজ্ঞ খেলোয়াড়ও আছেন, যাঁরা এই সংস্করণে খুব ভালো খেলে।’