সাইবার অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। একই সাথে টেলিকমভিত্তিক প্রতারণাসহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপি আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ও ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই সাক্ষাতের সময় সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উক্ত বৈঠকে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সদর দপ্তরের ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশ এবং চীনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে সাইবার অপরাধ মোকাবিলা, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিনিময় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত সহযোগিতার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে চীনা প্রতিনিধিদল স্পষ্টভাবে জানায় যে, বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার অপরাধ মোকাবিলা করার সক্ষমতা বাড়াতে তারা আগ্রহী। এই সহযোগিতার আওতায় সাইবার অপরাধসংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সরঞ্জাম সরবরাহ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে সাইবার অপরাধ দমন এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধগুলো মোকাবিলায় দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।