গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি একটি চলমান আইনি প্রক্রিয়া বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, আদালতের সম্পৃক্ততায় এই প্রক্রিয়াটি এগোচ্ছে, তাই এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা টাইমফ্রেম নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত 'বে অব বেঙ্গল কনফারেন্স'-এর একটি সেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে হাইকমিশনার ত্রিবেদী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, "বিষয়টি একটি আইনি প্রক্রিয়া, যা অব্যাহত রয়েছে। এটি সম্পূর্ণভাবে একটি সুগঠিত আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় এবং এই প্রক্রিয়ায় আদালত যুক্ত রয়েছে। ফলে এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা টাইমফ্রেম দেওয়া সম্ভব নয়।"

এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে একাধিকবার বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত নিজস্ব আইনগত ব্যবস্থার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।

হাইকমিশনার ত্রিবেদী শেখ হাসিনার ভারতে আগমনের বিষয়েও আলোকপাত করেন। তিনি জানান, তাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে আসেনি। বরং তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সামরিক বিমানে করে ভারতে যান। তবে শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না বলে মন্তব্য করেন ভারতের এই কূটনীতিক।

পুরোনো বন্ধু হিসেবে ভারতের যা করার, তারা তা করেছে উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ওই সময় শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাওয়া বিমান ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে কী হতো, তা জানা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।