মাগুরায় আবারও গ্রাহকের অস্বাভাবিক বিলের ঘটনা ঘটেছে। বাবু মোল্যা নামে এক গ্রাহক মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল পেয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বাবু মোল্যার বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালি গ্রামে। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল সাধারণত ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে হয়ে আসত। তবে সেপ্টেম্বর মাসের বিল কাগজে বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখানো হয়েছে মাত্র ২০ ইউনিট, অথচ বিলের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা। এই বিশাল পার্থক্য তাকে নতুন করে ভোগান্তিতে ফেলেছে।

এছাড়াও ভুক্তভোগী বাবু মোল্যার অভিযোগ, বিলের কাগজ নিয়ে অফিসে যাওয়ার আগেই মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লোকজন তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছেন।

বিষয়ে মাগুরা জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম ফজলুল আনোয়ার বলেন, "বিষয়টি জানতে পেরেছি। কম্পিউটার টাইপিং ভুল হতে পারে। ভুল হলে দ্রুতই সমাধান করা হবে।"

এর আগে, মাগুরায় মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে এক নারী গ্রাহকের নামে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি বিল দেওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ওই ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম), ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারসহ (ডিজিএম) কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার বিলের অভিযোগ সামনে এল। এ ঘটনায় বিদ্যুৎ বিল নির্ধারণ ও বকেয়া সমন্বয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।