বগুড়ার ধুনট উপজেলার একটি মোবাইল ফোন দোকান থেকে ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন চুরির পর ঢাকায় পালানোর সময় আন্তজেলা চোর চক্রের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া সমস্ত ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতুর পশ্চিম গোলচত্বর এলাকায় বগুড়া থেকে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে এই গ্রেপ্তার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৮টার দিকে একদল চোর ধুনট উপজেলা শহরের ইছামতি কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাসুদ টেলিকমের দোকানের শাটার কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। সেখান থেকে ৯৪টি মোবাইল ফোন চুরি করে তারা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় শেরপুর শহরের দিকে যায়। পরে শেরপুর থেকে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় চোররা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধুনট থানা, সিরাজগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও যমুনা সেতু পশ্চিম থানার পুলিশ যৌথভাবে যমুনা সেতুর পশ্চিম গোলচত্বরে চেকপোস্ট স্থাপন করে।
সেখানে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের বাসে অভিযান চালিয়ে আটজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার সৈয়দপাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আলামিন (৩০), পাঠানপাড়া গ্রামের আজিজুল রহমানের ছেলে ইসরাফিল রহমান (২৭), বাকলিয়া থানার সিএমপি বাকলিয়া গ্রামের হবু মিয়ার ছেলে আক্কাস আলী (৩৫), পতেঙ্গা থানার ইসমাইল ফয়েজ রোডের ইব্রাহিমের ছেলে রিদয় (৩৪), নরসিংদীর রায়পুর থানার চর মদিনানগর গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে ইমরান (৩০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার চকবাস মোল্লাবাড়ী গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে ইয়াসিন আরাফাত (৩৮), কুমিল্লার চান্দিনা থানার নওয়াতপুর গ্রামের খালেকের ছেলে রবিউল (৩৩) এবং একই জেলার মুরাদনগর থানার কামাল্লা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে আলাউদ্দিন (২৫)।
এ বিষয়ে ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, "এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। চুরির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"