কারিগরি ত্রুটির কারণে সাতদিন বন্ধ থাকার পর আজ রোববার বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট পুনরায় চালু হয়েছে। বর্তমানে প্রথম ইউনিট পুরোদমে এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে অর্ধেক সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছে। ভবিষ্যতে এই উৎপাদন ক্ষমতা ধাপে ধাপে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির সূত্র জানিয়েছে, প্রায় দুই মাস আগে গ্যাস সংকট শুরু হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। এরপর দেড় মাস ধরে একাধিক কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় লোডশেডিং বেড়ে যায়। তবে উৎপাদন বাড়িয়ে লোডশেডিং কমানো সম্ভব হয়েছে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন বৃদ্ধিতে পিডিবি কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে।

ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে মোট দুটি ইউনিট রয়েছে, যার সামগ্রিক ক্ষমতা ১ হাজার ২৩৪ মেগাওয়াট। মাঝখানে কয়লার সরবরাহে স্বল্পতা দেখা দিলেও এখন পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধের আগে এখান থেকে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো। ১৩ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি জটিলতার কারণে দ্বিতীয় ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যায়।

বাংলাদেশ–ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আনোয়ারুল আজিম "মুক্তকণ্ঠ"কে বলেন, রোববার সকাল আটটায় দ্বিতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে। সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৩৭০ মেগাওয়াট ও প্রথম ইউনিট থেকে ৬০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। ধীরে ধীরে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে সরবরাহ আরও বাড়বে।