সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটক পরিবহনে ব্যবহৃত সকল এসি ও নন-এসি হাউসবোটের তালিকা প্রণয়ন করে তা রেজিস্টারে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হাওরের পর্যটন খাতকে পরিবেশবান্ধব ও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরী জেলা প্রশাসককে পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করেন। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ২৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, প্রতিবছর টাঙ্গুয়ার হাওরে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমণ করেন, যা দেশের পর্যটন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে হাওরে চলাচলকারী হাউসবোটগুলোর নির্দিষ্ট তথ্য ও ডেটাবেজ থাকা প্রয়োজন।
পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সার্বিক স্বার্থ বিবেচনায় এবং ‘বাংলাদেশ ট্যুর অপারেটর ও ট্যুর গাইড (নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা) আইন, ২০১১’ অনুযায়ী নিবন্ধন ছাড়া ট্যুর পরিচালনা নিষিদ্ধ। এই পরিস্থিতিতে হাওরে চলাচলকারী সব এসি ও নন-এসি হাউসবোটের তথ্য (বোটের নাম, মালিকের নাম ও ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং টিআইএন নম্বর) ছক আকারে তৈরি করে রেজিস্টারে সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এই নির্দেশনার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রেজারত বিভাগের ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, উপ কর-কমিশনার, বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটরের (পিপি) কাছে।
চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান।