বিশ্বকাপের পর প্রথম সিরিজেই বড় পরিবর্তন আনলেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে তিনটি প্রীতি ম্যাচের জন্য ঘোষিত ২৬ জনের দলে প্রথমবার ডাক পেয়েছেন আট ফুটবলার। এছাড়া বিশ্বকাপের দলে জায়গা না পাওয়া এস্তেভাও, জোয়াও পেদ্রো ও আন্দ্রেই সান্তোস ফিরে এসেছেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঘোষিত এই দলে নেইমার ও কাসেমিরোর নাম নেই। তবে আক্রমণাত্মক ভরসা রাখা হয়েছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রাফিনিয়ার ওপর। তরুণদের সঙ্গে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মিশিয়ে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের দল গঠনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন আনচেলত্তি।

বিশ্বকাপের দলের মাত্র নয়জন খেলোয়াড়ই রয়েছেন নতুন তালিকায়। এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে দলের গড় বয়সেও। বিশ্বকাপের দলের গড় বয়স ছিল ২৮ দশমিক ৮ বছর, যা এবার কমে নেমে এসেছে ২৪ দশমিক ৪ বছরে।

গোলরক্ষক বিভাগে সম্পূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশ্বকাপের দলে থাকা আলিসন, এদেরসন ও ওয়েভারতনের কাউকেই রাখা হয়নি। এর পরিবর্তে ডাক পেয়েছেন হুগো সুজা, পেদ্রো মরিসকো ও ওতাভিও।

অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের জন্যও সুযোগ খোলা রাখা হয়েছে। আনচেলত্তি বলেছেন, ‘সবার জন্য দরজা খোলা।’ আপাতত তিনি তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর জোর দিয়ে তাদের উন্নতি পর্যবেক্ষণ করতে চান।

আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর টাউনসভিলে এবং ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এরপর ৩ অক্টোবর কলকাতায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে।

ঘোষিত দল:
গোলরক্ষক: হুগো সুজা, পেদ্রো মরিসকো ও ওতাভিও।
রক্ষণভাগ: আর্থার দিয়াস, ডগলাস সান্তোস, গাব্রিয়েল মাগালিয়াইস, জাইর কুনিয়া, মারকিনিওস, মাতেউজিনিও, মাউরো জুনিয়র, ভিতোর রেইস ও ওয়েসলি।
মধ্যমাঠ: আন্দ্রেই সান্তোস, ব্রেনো বিদন, ব্রুনো গিমারায়েস, দানিলো সান্তোস, ডগলাস লুইজ ও গাব্রিয়েল বোনতেম্পো।
আক্রমণভাগ: এনদ্রিক, এস্তেভাও, জোয়াও পেদ্রো, পেদ্রো, রাফিনিয়া, রায়ান, সামুয়েল লিনো ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।