দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন আগের চেয়ে অনেকটা স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে প্রকৃত রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়। এর ফলে রিজার্ভের পতন থেমে যায় এবং ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে। বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ বেশ সন্তোষজনক বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস, সারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে গেলেও দেশ এখন সেগুলো আমদানি করতে পারছে। তবে অর্থনীতির কিছু খাতে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দেশে বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়েছে। বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় ঋণ পাচ্ছেন না। রপ্তানিমুখী শিল্পগুলোতে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট চলছে। এই সংকট দূর করা না গেলে উৎপাদন কমে যাবে এবং রপ্তানি আয়ও হ্রাস পাবে।
বিনিময় হার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু করায় তা কিছুদিন স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু সম্প্রতি মনে হচ্ছে, বিনিময় হারকে আবার নির্দিষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। লেনদেনের সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগের মতোই বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। রিজার্ভ ধরে রাখতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংককে এ বিষয়ে আরও নজর দিতে হবে।