মাগুরার মহম্মদপুরে ইয়াবাসহ এক ছাত্রদল নেতাকে আটকের পর স্থানীয় উত্তেজনা প্রকাশে দুপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই তৌহিদ নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার বেথুড়ী গ্রামে অভিযান চালায়। মোল্যাপাড়া মাদ্রাসার সামনে থেকে পলাশবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মারজান শেখ (২৫) নামে একজনকে আটক করা হয়। তাকে দেহ তল্লাশি করে এক পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আমির শেখের ছেলে।

আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদমান আকিব। আদালত মাদকদ্রব্য রাখার অপরাধে তাকে দুই মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা করেন।

মারজান আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে বেথুড়ী গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ উঠেছে, মারজানের সমর্থক রাসেল, রাজা ও রানার নেতৃত্বে বেথুড়ী ব্রিজ এলাকায় প্রতিপক্ষের প্যানেল চেয়ারম্যান আহাদের ছেলে ও যুবদল নেতা মুকুলকে একা পেয়ে মারধর করা হয় এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে দুপক্ষের সমর্থকরা দ্রুত সংগঠিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

মহম্মদপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সজীব শিকদার জানান, "ইয়াবা রাখার অপরাধে তার কারাদণ্ড ও জরিমানা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তার বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম শামীম আহমেদ বলেন, "ছাত্রদল নেতা মারজানকে আটকের পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তবে বড় কোনো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।"