এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের প্লে-অফে জয়ের পথে ছিল ফর্টিস এফসি। ১১ আগস্ট ঢাকার কিংস অ্যারেনায় দলটি ১-০ গোলে কিরগিজস্তানের মুরাস ইউনাইটেডকে হারায়। ওই জয়ের পরই ফর্টিস গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নেয়।
কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ড্রয়ে আজ ‘সি’ গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ লিগে গত মৌসুমে তৃতীয় হওয়া ফর্টিস। গ্রুপের শীর্ষ বাছাই দল হলো ভারতের এফসি গোয়া। এফসি গোয়া আইএসএলের ইতিহাসের অন্যতম সফল একটি ক্লাব; প্রথম আইএসএল ক্লাব হিসেবে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল ২০২১ সালে।
গত মৌসুমে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু খেললেও এবারের প্রতিযোগিতায় ফর্টিস নামিয়েছে নিজেদের তৃতীয় স্তর এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে। ‘সি’ গ্রুপে ফর্টিসের পাশাপাশি আছে স্বাগতিক কুয়েতের কাদসিয়া এসসি এবং তাজিকিস্তানের রেগার তাজএজেড।
আগামী ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবর কুয়েতে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ মিলবে। তবে রানার্সআপ হয়েও শেষ আটে ওঠার সুযোগ থাকবে।
ফর্টিস পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের বিন্যাসে পড়েছে। এই অঞ্চলের তিন গ্রুপসেরা ও সেরা একটি রানার্সআপ দল শেষ আটে জায়গা পাবে। পূর্ব এশিয়ার দুই গ্রুপ থেকে চারটি দল কোয়ার্টার ফাইনালে যাবে।
এরই মধ্যে বাফুফের কাছে নতুন ঘরোয়া মৌসুমের জন্য খেলোয়াড় তালিকা জমা দিয়েছে ফর্টিস। দলে প্লে-অফে মুরাসের বিপক্ষে একমাত্র গোল করে ফর্টিসকে জেতানো ফরোয়ার্ড ইব্রাহিমকেও রাখা হয়েছে। ইব্রাহিমকে তখন এক মাসের জন্য আবাহনী থেকে ধারে নিয়েছিল ফর্টিস। তবে পুরো মৌসুমের জন্য এবার পাকাপাকিভাবে ফর্টিসে যোগ দিয়েছেন ইব্রাহিম।
বাফুফের কাছে জমা দেওয়া খেলোয়াড় তালিকায় সাফ কোটায় তিনজনকে নিয়েছে ফর্টিস। এই কোটায় সর্বোচ্চ তিনজনকেই নেওয়ার নিয়ম করেছে বাফুফে। এর মধ্যে গত মৌসুমের শ্রীলঙ্কান গোলকিপার সুজন পেরেইরার ওপর আস্থা রাখা হয়েছে।
বাকি দুজন নেপালের; দুজনই নেপাল জাতীয় দলের খেলোয়াড়। তাদের একজন মিডফিল্ডার আরিক বিস্তা, যিনি ফর্টিসের হয়ে চ্যালেঞ্জ লিগের প্লে-অফে খেলেছিলেন। অন্যজন নেপাল জাতীয় দলের ডিফেন্ডার অনন্ত তামাং। আরিক ও ইব্রাহিমই মূলত এবারের মৌসুমে ফর্টিসের উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
ফর্টিসের জয়ের নায়ক ইব্রাহিম বললেন, ‘মনে হয়েছে, বাংলাদেশের হয়ে খেলেছি’