হেক্সা বা ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের মিশন নিয়ে এবারও বিশ্বমঞ্চে এসেছিল ব্রাজিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে শেষ ষোলোর মঞ্চেই। নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে সেলেসাওরা। আর এই হারের পর ব্রাজিলের বিশ্বজয়ের অপেক্ষা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে দীর্ঘ ২৮ বছরে।
দলের এমন হতাশাজনক বিদায়ে সমর্থকদের কাছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বুকভাঙা কষ্ট নিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন দলের অন্যতম তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
.এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শুরুটাই হয়েছিল চোটের অভিশাপ নিয়ে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই চোটের কারণে স্কোয়াড থেকে ছিটকে যান রদ্রিগো ও এস্তেভাওয়ের মতো আক্রমণভাগের দুই মূল ভরসা। এরপর খেলা চলাকালে চোটের তালিকায় যোগ হন রাফিনিয়া ও লুকাস পাকেতা।
এত সব তারকাকে হারিয়ে দলের আক্রমণভাগের পুরো চাপ এসে পড়েছিল ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাঁধে। সেই গুরুদায়িত্ব তিনি দারুণভাবে সামলেছেনও—ব্রাজিলের ৫ ম্যাচে করেছেন ৪টি গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট। কিন্তু শেষ ষোলোর নকআউট লড়াইয়ে নরওয়ের বিপক্ষে দলকে আর জেতাতে পারেননি। বিদায়ের সেই তীব্র ধাক্কা কাটিয়ে উঠে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে চার দিন সময় নিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড।
.কোর্তোয়া বললেন চ্যাম্পিয়ন হবে ফ্রান্স বা স্পেন, রোমেরো বললেন ‘কান দিই না’.হারের চার দিন পর নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্টে ভিনিসিয়ুস লিখেছেন, ‘বিশ্বকাপের আরেকটা হতাশার গল্প লেখার পর কী লিখব, তা আবারও ভাবছি। সবাইকে আমাকে সমর্থন করতে ও আমাদের স্বপ্নকে আগলে রাখতে দেখেছি। তাই এখন চুপ করে থাকাটা অন্যায় হবে। তবে পুরো বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য আমার কয়েকটা দিন দরকার ছিল।’
.ভিনিসিয়ুস নিজের পোস্টে সমর্থকদের উদ্দেশে আরও লিখেছেন, ‘জাতীয় দলের জার্সি পরা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয়। আর বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে ছিটকে যাওয়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি জানি আমি কতটা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কতটা মনোযোগী ছিলাম এবং আপনাদের ও আমার পরিবারের জন্য বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম। আমি অনেক বেশি হতাশ। আরও অনেক দূর যাওয়ার মতো শক্তিশালী দল আমাদের ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। আমি আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চাইছি। আবারও দলকে বিশ্বসেরা বানানোর জন্য আমি লড়াই করে যাব।’
.সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশ নিয়ে যা জানা গেল





