বিশ্বকাপ ফুটবলের লড়াই এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। মোট ৯৬টি ম্যাচ শেষে ৪৮ দলের লড়াই সংকুচিত হয়ে এখন মাত্র ৮ দলে। আজ রাত থেকেই শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচগুলো। তবে প্রতিপক্ষের কৌশলের পাশাপাশি দলগুলোকে এখন সতর্ক থাকতে হচ্ছে হলুদ কার্ডের বিষয়ে।
কার্ডের হিসেবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি স্বস্তিতে রয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর আগে এই দলের কেবল একজন খেলোয়াড়, গনসালো মন্তিয়েলের নামের পাশে হলুদ কার্ড রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি হলুদ কার্ড দেখলে সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বের হলুদ কার্ডগুলো নকআউট পর্বে কার্যকর হবে না। তবে শেষ ৩২ ও শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা হলুদ কার্ড পেয়েছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে পুনরায় কার্ড দেখলে সেমিফাইনাল থেকে নিষিদ্ধ হবেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম হলুদ কার্ড পাওয়া দলগুলোর একটি আর্জেন্টিনা। ৫৯টি ফাউলের বিপরীতে তারা তিনটি হলুদ কার্ড দেখেছে, যার অর্থ প্রতি ১৯.৭টি ফাউলের জন্য একটি করে কার্ড এসেছে। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম কার্ড দেখেছে নরওয়ে। ৪৮টি ফাউলের বিপরীতে তারা মাত্র দুটি হলুদ কার্ড পেয়েছে, অর্থাৎ প্রতি ২৪টি ফাউলের বিপরীতে একটি কার্ড।
অন্যদিকে, কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়া ৮ দলের মোট ১৭ জন ফুটবলারের নামের পাশে হলুদ কার্ড রয়েছে। এই হিসেবে সবচেয়ে প্রতিকূল অবস্থায় আছে ইংল্যান্ড। ৫৪টি ফাউলের বিপরীতে তারা ৭টি হলুদ কার্ড দেখেছে, যা প্রতি ৭.৭টি ফাউলের বিপরীতে একটি কার্ডের সমান।
ইংল্যান্ডের চারজন ফুটবলার কোয়ার্টার ফাইনালে হলুদ কার্ড পেলে সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না। এই ঝুঁকিতে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে ডেকলান রাইস ও জুড বেলিংহামের মতো তারকা ফুটবলাররাও রয়েছেন। ফলে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে তাদের সতর্ক থাকতে হবে। বিপরীতে, নরওয়ের অ্যন্তেনিও নুসো ছাড়া দলটির আর কোনো ফুটবলার হলুদ কার্ড দেখেননি।






