দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় বিয়ের দাবিতে এক ব্যক্তির বাড়িতে অবস্থান নেন তিন সন্তানের জননী এক নারী। গতকাল বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই পরিস্থিতির পর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ ওই নারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যায়।

অভিযুক্ত এমাজুল হক পেশায় একজন কৃষক এবং তিনি এক সন্তানের জনক।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত এক বছর ধরে ওই নারী ও এমাজুল হকের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি ওই নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলেও এমাজুল হক তাতে রাজি হননি। এই পরিস্থিতিতে গতকাল সকালে ওই নারী অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হাকিমপুর থানার পুলিশ। সেখানে সাধারণ মানুষের ভিড় জমে এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুলিশ উভয় পক্ষকে থানায় নিয়ে আসে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে দুজনকে থানায় আনা হয়েছে। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। তাঁদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাটি সামাজিকভাবে সমাধানের পরামর্শ দেওয়া হয়।"

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মুক্তকণ্ঠকে জানান, উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে এক লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে দুজনের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরপর গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে পুলিশ দুজনকে তাঁদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়। খুব শীঘ্রই পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।