সালমান খানের মুম্বাইয়ের বাসভবনের সামনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে। এত দিন পলাতক থাকা গ্যাংস্টার আনমোল বিষ্ণোই এবার ওই মামলায় আত্মসমর্পণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এ জন্য তিনি মুম্বাইয়ের বিশেষ মকোকা (এমসিওসিএ) আদালতে আবেদন করেছেন। আবেদনে তিনি বলেন, নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে ২০২৪ সালে সালমান খানের বাসার সামনে গুলিবর্ষণের মামলায় আত্মসমর্পণ করতে চান।
গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ছোট ভাই আনমোল বিষ্ণোই বর্তমানে দিল্লির তিহার জেলে বন্দী। গত বছরের নভেম্বরে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়। পরে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) তাঁকে গ্রেপ্তার করে। একাধিক আলোচিত মামলার পাশাপাশি সালমান খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলিবর্ষণের মামলাতেও তিনি অভিযুক্ত। এ ঘটনায় এত দিন তাঁকে মুম্বাই পুলিশের পলাতক আসামির তালিকায় রাখা হয়েছিল।
আবেদনে আনমোল জানান, তিনি বর্তমানে এনআইএর একটি মামলায় আইনগত হেফাজতে রয়েছেন। আদালতের নির্দেশ ছাড়া তাঁর পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়া সম্ভব নয়। তাই বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে এবং মামলার শুনানির মুখোমুখি হতে তিনি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করতে চান।
এ জন্য তিহার জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে একটি প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, এতে তাঁকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হবে এবং মামলার বিচার দ্রুত এগোবে। একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহারও রোধ করা যাবে।আনমোল আরও জানিয়েছেন, মামলার বিচার ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তাঁর অনুপস্থিতিতেই তিনজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৪ এপ্রিল ভোরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সালমান খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে এসে ভিকি গুপ্ত ও সাগর পাল ওই হামলা চালান।
এ মামলায় ভিকি গুপ্ত, সাগর পাল, সোনু কুমার বিষ্ণোই, মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী ও হরপাল সিং বর্তমানে বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। অভিযুক্ত অনুজকুমার থাপান পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে লরেন্স বিষ্ণোই এখনো এ মামলার পলাতক আসামি।






