দেশের সব বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অনুদানের জন্য আবেদন চলছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনের শেষ সময় ১৬ এপ্রিল ২০২৬। ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিকেল ৫টা অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনগুলো জেলা পর্যায়ে গঠিত কমিটি যাচাই-বাছাই করে ৬ মে ২০২৬ (বিকেল ৫টা অফিস চলাকালীন) সময়ের মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বরাবর প্রেরণ করবে।

.ব্র্যাকের মেধাবিকাশ বৃত্তি, নির্বাচিত শিক্ষার্থী মাসে পাবেন ৮,০০০ টাকা.

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিচালন বাজেটের আওতায় বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এর আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান প্রদানের জন্য অনুসরণীয় নীতিমালার (সংশোধিত-২০২৫) আলোকে কয়েকটি শর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা যাচ্ছে। নীতিমালা www.shed.gov.bd -তে পাওয়া যাবে।

.জনপ্রিয় অনেক গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি আর্থিকভাবে লাভজনক নয়, বলছে গবেষণা.

দেশের সব স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত) মেরামত ও সংস্কার, আসবাব সংগ্রহ, পাঠাগার স্থাপন, খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করার লক্ষ্যে অনুদানপ্রাপ্তির জন্য আবেদন করা যাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনগ্রসর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অথচ লেখাপড়ার মান ভালো এরূপ প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে।

*বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত) শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁদের দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈবদুর্ঘটনার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন।

.

*সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী দুরারোগ্য ব্যাধি, দৈবদুর্ঘটনা এবং শিক্ষা গ্রহণ কাজে ব্যয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে। এ অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে দুস্থ, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায়, রোগগ্রস্থ, গরিব, মেধাবী, অনগ্রসর সম্প্রদায়, অনগ্রসর এলাকার ছাত্রছাত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

*শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অনুদানপ্রাপ্তির জন্য নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক আবেদন করতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষক-কর্মচারী এবং ছাত্রছাত্রী ক্যাটাগরিতে অনুদানপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানের মাধ্যমে এবং স্নাতক/সমমান ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান/রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

.চিকিৎসক-প্রকৌশলীর বাইরে: বাংলাদেশের মেধাবীদের জন্য অ্যাকচুয়ারি পেশার অজানা সম্ভাবনা.

*আবেদন করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান/রেজিস্ট্রার কর্তৃক মাইগভ প্ল্যাটফর্মে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রদত্ত মুঠোফোন নম্বরটি ব্যানবেইসের সর্বশেষ বার্ষিক শিক্ষা জরিপ-২০২৫-এর তথ্যানুযায়ী প্রদান করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান/রেজিস্ট্রারের প্রোফাইল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নম্বর দিয়ে প্রোফাইল ভেরিফাই/যাচাই করতে হবে। প্রোফাইল সম্পন্ন করার পর মাইগভের হোম পেজে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান/শিক্ষক-কর্মচারী/শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান’ অংশে ক্লিক করলে সেবার তালিকা পাওয়া যাবে। সেবার তালিকা থেকে সেবা বাছাই করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুসরণপূর্বক প্রতিষ্ঠানপ্রধান/রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

.

*শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবেদনের ক্ষেত্রে অনুদানের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি/ এডহক কমিটির সভাপতি কর্তৃক প্রদত্ত এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিপাদিত প্রত্যয়নপত্র অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে।

*শিক্ষক-কর্মচারী ক্যাটাগরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর প্রদানসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠানপ্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র, চিকিৎসা-সংক্রান্ত যাবতীয় ডাক্তারি সনদ এবং দৈবদুর্ঘটনার সপক্ষে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়ন ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত সনদ অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে।

*আবেদনের সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক (সাধারণ) পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র এবং স্নাতক/সমমান ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র ও জন্মনিবন্ধন সনদ/জাতীয় পরিচয়পত্র অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে।

*শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত অর্থ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে অনলাইনের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। সুতরাং অনলাইন আবেদনকালে ব্যাংক হিসাবের তথ্য যথাযথভাবে পূরণ করে ওই হিসাবের প্রমাণক হিসেবে MICR চেক বইয়ের একটি চেক পাতার PDF কপি সংযুক্ত করতে হবে (ব্যাংক হিসাব অনলাইন না হলে এবং MICR চেক বই এর একটি চেক পাতা আবেদনের সময় সংযুক্ত করা না হলে আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে)।

.

*শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং (আবেদন ফরমে উল্লেখিত) এর মাধ্যমে প্রদান করা হবে। সুতরাং অনলাইনে আবেদনকালে রেজিস্ট্রেশনকৃত (KYC আপডেটসহ) ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বর প্রদান করতে হবে। এজেন্ট নম্বর বা মার্চেন্ট নম্বর গ্রহণযোগ্য নয়।

*শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষক-কর্মচারী একবার এ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। ইতিপূর্বে এ খাতের আওতায় সুবিধাপ্রাপ্ত হলে আবার আবেদন করার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

*ছাত্র/ছাত্রী ক্যাটাগরিতে একজন শিক্ষার্থী তার শিক্ষাজীবনে তিন বছর পরপর আবেদন করতে পারবে।

*প্রতিবন্ধিতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা/উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত ‘প্রতিবন্ধী সনদ’ও তৃতীয় লিঙ্গের ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত সনদ সংযুক্ত করতে হবে।

*অসম্পূর্ণ আবেদন বা আবেদনের হার্ড কপি গ্রহণযোগ্য নয়।

.বিশ্বের শীর্ষ ১০ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কোনগুলো