২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য পরীক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি, যাচাই, কেন্দ্র নির্বাচনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সময়সীমা পুনরায় নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৮ মার্চের মধ্যে সব উপজেলা পরীক্ষাকেন্দ্র নির্বাচন, পরীক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও অন্যান্য কাজ শেষ করতে না পারায় এই পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে জেলা-উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাঠানো চিঠি থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
চিঠিতে বর্ণিত নতুন সময়সূচি অনুসারে, ৩১ মার্চের মধ্যে অধিদপ্তরের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ইন্টিগ্রেটেড প্রাইমারি এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (আইপিইএমআইএস) সফটওয়্যারে পরীক্ষার্থীর তথ্য এন্ট্রি, ছবি ও স্বাক্ষর আপলোডসহ যাচাই ও অনুমোদন সম্পন্ন করতে হবে।
১ এপ্রিল পরীক্ষার কেন্দ্র নির্বাচন ও পুনর্বিন্যাসের জন্য নির্ধারিত। ২ থেকে ৩ এপ্রিলের মধ্যে পরীক্ষক, নিরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকের তথ্য এন্ট্রি করতে হবে এবং ৪ এপ্রিলের মধ্যে তা অনুমোদন করা হবে। ৫ এপ্রিল পরীক্ষক তালিকা জেনারেট, ৬ এপ্রিল রোল জেনারেট এবং ৭ এপ্রিল প্রবেশপত্র প্রিন্ট করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। সময়সীমা শেষ হলে কোনোভাবেই সময় বাড়ানো যাবে না।
২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার পরীক্ষার্থীর তথ্য (ডিআর) আইপিইএমআইএস সফটওয়্যারে এন্ট্রিকরণ (পরীক্ষার্থীর ছবি ও স্বাক্ষর আপলোডসহ), যাচাইকরণ, অনুমোদন ও পরীক্ষার কেন্দ্র নির্বাচনের সময়সীমা শেষ হলেও কিছু বেসরকারি বিদ্যালয় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিআর দাখিল করতে পারেনি। এছাড়া কিছু উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারও তা সময়মতো অনুমোদন করেনি।






