
হাওরের হাহাকার: আমার নি কেউ আসে রে
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম জানান, এই ভাসান পানির আন্দোলনই তাঁকে শিখিয়েছে, লাঠির জোরে কিছুদিন অধিকার আদায় করা গেলেও স্থায়ী করতে গেলে আইন বদলাতে হয়।
মতামত ও বিশ্লেষণ

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম জানান, এই ভাসান পানির আন্দোলনই তাঁকে শিখিয়েছে, লাঠির জোরে কিছুদিন অধিকার আদায় করা গেলেও স্থায়ী করতে গেলে আইন বদলাতে হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ইশতেহারে বিএনপি যে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম জোন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটা পাহাড়ে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জন্য বিপজ্জনক বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে। কারণ, এসব ট্যুরিজম জোন গড়তে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষের উচ্ছেদ হওয়ার উদাহরণের অভাব নেই।

সপ্তাহ দু-এক আগে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে দেখা হলো। উপজেলা পর্যায়ের একজন ত্যাগী নেতা।

জামায়াত তার ইশতেহারে ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ২ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মত?

গণ-অভ্যুত্থানের আগে দেশ এক দীর্ঘ স্বৈরশাসনের মধ্য দিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও দুঃশাসন সব মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

একটা প্রশ্ন দিয়েই শুরু করি। স্মার্টফোন হাতে পেয়েই আমরা সবাই নিজেকে ডিজিটাল পরিসরের একজন সক্রিয় নাগরিক বলে ভাবতে শুরু করেছি। আমরা কি আসলেই ‘ডিজিটাল নাগরিক’?

বাস্তবে গ্রিনল্যান্ডে বড় ধরনের কোনো চীনা বিনিয়োগ নেই। অবকাঠামো কিংবা খনিশিল্পে চীনা কোম্পানিগুলোর কার্যকর অংশগ্রহণ দেখা যায়নি।

দেশে তরুণ ও আধুনিক বোধসম্পন্ন কর্মজীবী দম্পতি এখন সে রকম কো-প্যারেন্টিং শুরু করেছেন কি না, জানি না।

১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।

প্রযুক্তিনির্ভর গুজব ও অপতথ্য যেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কোনো রকম বাধাগ্রস্ত না করতে পারে, তার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি।

বাংলাদেশের দৃষ্টিতে তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্কের স্বাস্থ্যকর রূপরেখা খুব সহজ—এই সম্পর্ককে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক হতে হবে, ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা দলীয় নেটওয়ার্কভিত্তিক নয়। এখন পর্যন্ত তুরস্ককে বাংলাদেশে কোনো নির্দিষ্ট দলের ‘ঘনিষ্ঠ মিত্র’ হিসেবে দেখা হয় না। এই ধারণা অক্ষুণ্ণ থাকাই বাঞ্ছনীয়।

ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হওয়ার পর প্রথমে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—দুজনই আলোচনাকে ‘ভালো’ বলে বর্ণনা করেছেন।