
বিএনপির শাহে আলমের বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ জামায়াতের
অভিযোগের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলছেন, নির্বাচনী প্রচার যখন তুঙ্গে তখন পরাজয় নিশ্চিত জেনে জামায়াত প্রার্থী ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে মাঠ ছাড়ার কৌশল খুঁজছেন।

অভিযোগের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলছেন, নির্বাচনী প্রচার যখন তুঙ্গে তখন পরাজয় নিশ্চিত জেনে জামায়াত প্রার্থী ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে মাঠ ছাড়ার কৌশল খুঁজছেন।

একাধিক প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে জমা করা হলফনামায় বিদেশি নাগরিকত্বের ব্যাপারে তথ্য গোপন করেছেন।

হলফনামায় দেওয়া প্রার্থীদের তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অন্তত তিন প্রার্থী বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। কিন্তু তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।

সিলেটের ৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৩ জন। এর মধ্যে ১৭ জনের নির্বাচনী ব্যয়ের বেশির ভাগ টাকা আসবে প্রবাস থেকে। কেউ করছেন ধার, কেউ পাচ্ছেন দান।

টিআইবি বলছে, একজন প্রার্থী বিদেশে তাঁর নিজের কোনো সম্পদের তথ্য না দিলেও স্ত্রীর নামে দুবাইয়ে ফ্ল্যাটের মালিকানা রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষের ২৮৭ প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামায়াতের প্রত্যেক প্রার্থী তাঁদের আয় ও সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেছেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনে এবার জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর।

জামায়াতের ওই প্রার্থীর নাম ইসহাক খন্দকার। তিনি জেলা জামায়াতের আমির। এ নির্বাচনে তিনি নোয়াখালী-৪ আসনের প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এইবারের নির্বাচনের মনোনয়নের সঙ্গে দেওয়া হলফনামা দেখে যা বুঝেছি, পুরোনো রাজনীতিবিদদের হলফনামা খুব বোরিং। বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কিংবা এলডিপির কর্নেল অলি আহমদ অনেকবার নির্বাচন করেছেন। তাঁদের সেই একই হলফনামা। তবে এখন যাঁরা নতুন বা তরুণ নেতা, তাঁদের হলফনামায় চমক আছে।

হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নোয়াখালীর ছয়টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা কোটিপতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ ও সম্পদের মালিক নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবানে প্রার্থী হয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় ও সম্পদ রয়েছে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আবুল কালামের। সম্পদশালীর তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন এনসিপি প্রার্থী। তাঁরা দুজনই প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া সাচিংপ্রু জেরী ২০১৮ সালেও প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁর আয় ওই সময়ের তুলনায় দেড় গুণ এবং সম্পদ প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।