
রবির কর ছুঁয়ে গেল ছায়ানটের সন্ধ্যা
রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে গত শনিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এসেছে রবির কর’।

রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে গত শনিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এসেছে রবির কর’।

ছায়ানটের এবারের এ আয়োজনের মূল ভাবনা ছিল ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।

রমনার বটমূলে বাংলা নববর্ষ বরণে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে সভাপতি সারওয়ার আলী বলেন, নির্ভয়ে গান গাওয়া ও শঙ্কামুক্ত জীবনের কামনা করেছেন। অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক করে বিশ্বশান্তির প্রার্থনা জানিয়েছেন। অনুষ্ঠান সকাল ৬টা ১৫ থেকে ৮টা ২৫ পর্যন্ত চলে।

রাজধানীর রমনার বটমূলে সূর্যোদয়ের পর শুরু হয়েছে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। রবীন্দ্র-নজরুলের গানে সজ্জিত এই প্রোগ্রামে প্রায় ২০০ শিল্পী অংশ নিচ্ছেন। অনুষ্ঠান বিটিভি, দীপ্ত টিভি ও অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছে।

ছায়ানট রমনার বটমূলে পয়লা বৈশাখের প্রভাতে ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’ ভাবনায় নববর্ষ বরণ করবে। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে অনুষ্ঠানে ২২টি গান পরিবেশনা করা হবে। প্রায় ২০০ শিল্পীর অংশগ্রহণে সম্প্রচারিত হবে বিটিভি, দীপ্ত টিভি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে।

ছায়ানট ও ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি সংগীত-নৃত্য বিভাগের শিক্ষকরা সংগীতচর্চা প্রসারে সম্মিলিত উদ্যোগ নিয়েছেন। আজ রাজধানীতে ‘সম্মিলিত অভিযাত্রা’ সভায় এবছর সংগীত সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংগীতবিরোধী মনোভাব ও হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে শিল্পী নিরাপত্তার দাবি তোলা হয়েছে।

ছায়ানট বসন্ত উৎসবে সনজীদা খাতুনের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছে গান, নৃত্য ও গীতিনাট্যের মাধ্যমে। ধানমন্ডির মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে হাজারো শ্রোতা উপস্থিত ছিলেন। সভাপতি ডা. সারোয়ার আলী তাঁর জীবনাদর্শ নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন।

সম্মেলক কণ্ঠসংগীত দিয়ে সকাল সাড়ে আটটায় শুরু হয় আয়োজন। চার ঘণ্টার এই অধিবেশনে কণ্ঠ ও যন্ত্রসংগীত মিলিয়ে শুদ্ধসংগীতের নানা রূপে ডুবে থাকেন শ্রোতারা।

শুক্রবার শুরু হওয়া এই উৎসবে নবীন ও প্রবীণ শিল্পীদের কণ্ঠ ও যন্ত্রসংগীতে সাজানো পরিবেশনায় শাস্ত্রীয় সুরের আবেশে কেটেছে শ্রোতাদের সময়।

গতকাল ১১ জ্যৈষ্ঠ, ২৫ মে, সোমবার, বিকেলে ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানটের বক্তৃতা কক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে

কলকাতায় ছায়ানট-এর উদ্যোগে কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আমারে দেব না ভুলিতে’ শীর্ষক সাতদিনের প্রদর্শনী চলছে। দুই বাংলার সংগ্রাহকদের দুর্লভ সামগ্রীতে সজ্জিত এই প্রদর্শনী ২৩ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত খোলা। নজরুলপ্রেমীরা প্রতিদিন বিকেল ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এগুলো দেখতে পারবেন।

সংগীতজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সংগঠক সন্জীদা খাতুনের অনেক ছাত্রছাত্রী, গুণগ্রাহী, সাহিত্য ও সংগীত অনুরাগীরা অনুষ্ঠানে সমবেত হয়ে শিক্ষা, সংস্কৃতিতে তাঁর অবদানের স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।