
শীতের শরীরে গেঁথে থাকা মন
আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’

আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’

জাতীয় কবিতা পরিষদের আয়োজনে মহান ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন রোববার থেকে শুরু হয়েছিল জাতীয় কবিতা উৎসব। এবার উৎসবের স্লোগান ছিল ‘সংস্কৃতিবিরোধী আস্ফালন রুখে দেবে কবিতা’।

মানুষ যখন জীবনের দুই প্রান্তে দাঁড়িয়ে পড়ে—না পারে ফিরে যেতে, না পারে সামনে এগোতে—ঠিক সেই দ্বিধার জায়গাটাকেই এই গান সহজ ভাষায় প্রকাশ করে।

তিনি ছিলেন সেই বিরল প্রতিভাদের একজন, যাঁরা স্লোগানসর্বস্ব, কোলাহলপূর্ণ কবিতার যুগেও মিতভাষী, শান্ত অথচ গভীর জীবনবোধের স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ন রেখেছিলেন।

৩৮তম জাতীয় কবিতা উৎসব উদ্বোধন হলো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এই উৎসব থেকে কবিরা অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর ডাক দিয়েছেন।

এবারের উৎসবের প্রতিপাদ্য ‘সংস্কৃতি-বিরোধী আস্ফালন রুখে দিবে কবিতা’।

সে জানে কীভাবে মানুষ তাদের জীবন কাটানোর নানা পরিকল্পনা করে আর তারপর তেমন জীবন সে কোনো দিন কাটায় না।

গানের সুর, কবিতার ছন্দ ও দৃপ্ত কথামালায় আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আক্রমণের প্রতিবাদ জানানো হলো গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছায়ানট সংস্কৃতি–ভবন মিলনায়তনে।

তাঁর কবিতায় একধরনের ‘মিস্টিক’ বিষাদ ও শান্তির ছোঁয়া পাওয়া যায়। হেসের কবিতায় কোনো অলংকারের বাহুল্য নেই, আছে শান্ত স্বীকারোক্তি।

কবিতা: ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’

এই বিভাজন কেন? কেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবিতায় আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ উপন্যাসে ধরা পড়ল?

গবেষকেরা মনে করেন, ‘ফ্রাঙ্কের কবিতা হলো মুহূর্তের স্ন্যাপশট, যেখানে একত্রে মিশে গেছে নানা নৈমিত্তিক ভাবনা আর দৈনন্দিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা।’