
ঢাকা মহানগরের সব আসনে ৬৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগরের ১৫টি আসনে ৬৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগরের ১৫টি আসনে ৬৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের হয়ে ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মজিবুর রহমানের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৩ টাকা। এর মধ্যে টেলিভিশনে টক শো করেই তিনি আয় করেছেন ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা তাঁর বার্ষিক আয়ের প্রায় অর্ধেক।

ভোলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ।

শেরপুরের তিনটি আসনে ১৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ছয়জনের আবেদন বাতিল ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এই আসনে বিএনপির প্রার্থী আমানউল্লাহ আমান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির দাম ৭০ কোটি টাকা দেখিয়েছেন মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায়। স্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য দেখিয়েছেন ‘অজানা’, তবে এর অর্জনকালীন দাম দেখিয়েছেন পৌনে চার কোটি টাকা। সেই সঙ্গে ২৫ কোটি টাকা

সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ৪৭ লাখ টাকা ব্যয় করে নির্বাচনের খরচ চালাবেন ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া তাসনিম জারা।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৯ জন, জামায়াতে ইসলামীর ৩ জন ও জাতীয় পার্টির (জাপা) ৭ প্রার্থী রয়েছেন।

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও চুয়াডাঙ্গা-২ আসন থেকেই বিএনপির মনোনয়নে প্রার্থী হয়েছিলেন মাহমুদ হাসান খান।

কক্সবাজার-২ ( মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে জামায়াত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় এ সিদ্ধান্ত জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান।

বগুড়া-২: মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহবুবুল আলম যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগের জন্য আবেদন করলেও এ–সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কোনো প্রমাণপত্র দাখিল করেননি।